Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৯ মঙ্গলবার, নভেম্বার ২০২২ | ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ | ঢাকা, ২৫ °সে

জীবিকা নির্বাহের স্তর থেকে বাণিজ্যিক পথে কৃষি: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৫:০৫ PM
আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৫:০৫ PM

bdmorning Image Preview


সনাতন কৃষি উৎপাদন পদ্ধতির স্থলে দেশে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে ওঠায় পেশা হিসেবে কৃষি জীবিকা নির্বাহের স্তর থেকে বাণিজ্যিক স্তরে উন্নীত হয়েছে।

বর্তমানে আমাদের লক্ষ্য টেকসই খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের জনগণের জন্য পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সেজন্যে কৃষি সংশ্লিষ্ট সকলকে তাঁদের মেধা ও শ্রম ঢেলে দেশের কৃষিকে আরো এগিয়ে নিতে হবে।

কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী আজ বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ একাডেমি অব এগ্রিকালচারের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সূচিত পথ ধরে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা বিজ্ঞান মনোস্ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের কৃষিকে একটি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। সরকার চেয়েছে খাদ্যে স্বয়ংস্বপূর্ণতা অর্জন করতে এবং সেলক্ষ্যে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে আজ দেশ খাদ্যে স্বয়ংসপূর্ণ হয়েছে। এরই ধারাবাহিতকায় কৃষি ক্ষেত্রে গবেষণাকে অগ্রাধিকার দিয়ে খাদ্য উৎপাদনে আধুনিক, উন্নত ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ ব্যবহার জোরদার করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

মতিয়া চৌধুরী আরও বলেন, বিশ্বায়নের যুগে প্রতিযোগিতামূলক বাজার অর্থনীতিতে সক্ষমতার সাথে টিকে থাকার উপযোগী কৃষি গবেষণা ও উৎপাদন, প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও হস্তান্তরে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলির সম্মিলিত সফল বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশ আজ টেকসই খাদ্য নিরাপত্তার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। কৃষির সাথে সংশ্লিষ্ট কৃষক, কৃষি বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণ কর্মীসহ বাংলাদেশ একাডেমি অব এগ্রিকালচার এর কৃষিবিদগণের কার্যকর ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, খাদ্য আমদানি নির্ভর দেশ এখন খাদ্য রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে বিশ্বের দরবারে সম্মানিত হচ্ছে। উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামি ২০৪১ সালের আগেই এ দেশ উন্নত দেশের মর্যাদা লাভ করবে। সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নের ফলশ্রুতিতে বিভিন্ন নতুন ক্ষেত্রে শ্রমিকদের কাজ করার সুযোগ বেড়েছে, জনগণের স্বচ্ছলতা এবং সামাজিক মর্যদাও বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সফলতার পিছনে কৃষিবিদ ও কৃষক ভাই-বোনদের অবদান কোন অংশে কম নয়।

জাতীয় এমিরেটাস সাইনটিস্ট ড. কাজী এম বদরুদ্দোজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ এর সম্মানিত উপাচার্য ড. মোঃ আলী আকবর।

অনুষ্ঠানে কৃষি ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকার জন্য ৭ জন কৃষককে ক্রেস্ট অব মেরিট-২০১৮, ১১টি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা সনদ এবং ৭ জনকে গুণী স্বর্নপদক প্রধান করা হয়।

Bootstrap Image Preview