Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ০৫ বুধবার, অক্টোবার ২০২২ | ২০ আশ্বিন ১৪২৯ | ঢাকা, ২৫ °সে

গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত

ফরহাদ আকন্দ, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৯:০৬ AM
আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৯:০৬ AM

bdmorning Image Preview


উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র নদসহ তিস্তা ও যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সব চেয়ে বেশি পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদীর। বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়েও প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে এসব নদ-নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। রোপা আমন ক্ষেতসহ বিভিন্ন ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় তীব্র নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষেরা। 

সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ব্রহ্মপুত্র নদের পানি গাইবান্ধার ফুলছড়ি ঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ৭ সে. মি  ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়া শহর রক্ষা বাঁধ ঘাঘট পয়েন্টে পানি বিপদসীমা ছুঁইছুঁই করছে। তিস্তা, যমুনা, করতোয়া ও ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যহত রয়েছে। নদ-নদীগুলোতে পানি আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নদ-নদীগুলোতে পানি বাড়ার সাথে সাথে সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের পথ-ঘাট ও ফসলি জমি ডুবে গেছে। নৌকায় করে মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল কাজ সম্পন্ন করছে। এসব এলাকায় এখন যোগাযোগের একমাত্র উপায় হচ্ছে নৌকা। তাই পথ-ঘাট সব ডুবে যাওয়ায় বর্তমানে এসব চরের মানুষ চলাচল করছে নৌকায় করে।

প্রতিদিন পানি বৃদ্ধি অব্যহত থাকায় বড় ধরনের বন্যার আশংকায় রয়েছেন চরাঞ্চল ও নিন্মঞ্চলের মানুষদের। এছাড়া পানিতে তলিয়ে যাওয়া রোপা আমনসহ বিভিন্ন জাতের ফসলের ক্ষয়ক্ষতির আশংকায় দুশ্চিন্তায় দিশেহারা কৃষকরা।

এদিকে কয়েকদিনে পানি বৃদ্ধি আর স্রোতে ব্রক্ষপুত্র, তিস্তা ও যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। 

গত সপ্তাহে গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শতাধিক পরিবার ভাঙনের শিকার হয়ে তাদের বসতবাড়ি ও অবাদি জমি হারিয়েছেন। হুমকির মুখে শতশত বসতভিটে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান। তবে তিস্তা ও ব্রক্ষপুত্রের ভাঙনে সদরের কামারজানি, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, লালচামার, ফুলছড়ির উড়িয়া ও সাঘাটার হলদিয়াসহ বেশ কিছু এলাকায় ভাঙন আতষ্ক দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এটিএম মোনায়েম হোসেন জানান, ভাঙন এলাকাগুলো চিহ্নিত করে জরুরী ভিত্তিতে ভাঙ্গন রোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

Bootstrap Image Preview