Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৮ মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বার ২০২১ | ১৩ আশ্বিন ১৪২৮ | ঢাকা, ২৫ °সে

শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আপনাদের সঙ্গে আছি: মাশরাফি

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪৪ AM
আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪৪ AM

bdmorning Image Preview


ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের ব্র্যান্ড অ্যাম্বেসেডর হিসেবে কয়েকটি বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। এখন অনেকেই প্রতিষ্ঠানটির কাছে পণ্য না পেয়ে দায়ী করছেন মাশরাফিকে। কয়েকবার তার বাড়ির সামনেও ভিড় করেছেন ই-অরেঞ্জের গ্রাহকরা।

সোমবারও তার বাড়ির সামনে কয়েকজন নারী গ্রাহক ভিড় করেন। তারা তাদের পাওনা অর্থ আদায়ে মাশরাফির সহযোগিতা চান। এ সময় জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ‘শেষ নিঃশ্বাস অবধি তাদের সঙ্গে আছেন’ বলে জানান। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন মাশরাফি নিজেই।

সোমবার রাতে মোবাইল ফোনে মাশরাফি বলেন, ‘আজ যে নারীরা (ভুক্তভোগী) এসেছিলেন তাদের একটা কথাই বলেছি, আমার শেষ নিঃশ্বাস অবধি আপনাদের সঙ্গে আছি। আপনারা যতটুকু করতে বলবেন, আছি। কিন্তু আমারও সীমাবদ্ধতা আছে। আমি এটুকুই বলেছি। কেউ ভিন্ন কিছু বললে বানিয়ে বলেছে।’

ই-অরেঞ্জের প্রতারণার সব দায় নিজের ওপর আসায় ক্ষোভ ঝেড়েছেন এ সংসদ সদস্য। বলেন, ‘আমার আসলে দায় কেন? আমি কি মালিক? যারাই আসছেন তাদের তো বলতে পারতাম যে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেন। সেটাও তো আমি বলিনি কাউকে। বলেছি, আমি আমার মতো চেষ্টা করছি।’
 
তিনি আরও বলেন, ‘আমি একজন ব্র্যান্ড অ্যাম্বেসেডর। আমার কাছে এসব বলে লাভ কী? আমি যদি তাদের শেয়ার হোল্ডার হতাম বা এমন কিছু... তাহলে একটা কথা ছিল। আইনের বাইরে গিয়ে মাশরাফি কী করবে? তারা জেলে আছে, তাদের তদন্ত হচ্ছে। সেটা তো এখন পুলিশের বিষয়।’

প্রসঙ্গত, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের মালিকপক্ষ প্রতারণামূলকভাবে গ্রাহকদের এক হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে তাহেরুল ইসলাম নামের এক গ্রাহক গুলশান থানায় এমন অভিযোগ জানিয়ে মামলা করেছেন।

মামলায় ই-অরেঞ্জের মূল মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, মালিক বীথি আকতার, প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) আমানউল্লাহ চৌধুরী, প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদসহ প্রতিষ্ঠানটির সব মালিককে আসামি করা হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়, গত ২৮ এপ্রিল থেকে নানা সময়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্য কেনার জন্য টাকা দেওয়া হয়, যা একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের পর সরবরাহ করার কথা ছিল। কিন্তু ই-অরেঞ্জ এক লাখ ভুক্তভোগীর সঙ্গে প্রতারণা করে যাচ্ছে। ভুক্তভোগীরা ই-অরেঞ্জের অফিসে গিয়ে পণ্য সরবরাহ চাইলে জানানো হয়, কিছুদিনের মধ্যে পাঠানো হবে। কিন্তু কোনো পণ্য সরবরাহ করা হয়নি।

Bootstrap Image Preview