Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৪ শুক্রবার, সেপ্টেম্বার ২০২১ | ৯ আশ্বিন ১৪২৮ | ঢাকা, ২৫ °সে

হঠাৎ গজিয়ে উঠা সংগঠনকে আ. লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার সুযোগ নেই: কাদের

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জুলাই ২০২১, ০২:২২ PM
আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২১, ০২:২২ PM

bdmorning Image Preview


আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্বীকৃত সংগঠনের বাইরে কোনো মনগড়া বা হঠাৎ গজিয়ে উঠা সংগঠনকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া এবং করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি রোববার সকালে তার বাসভবনে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন। আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ গঠন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে নিজ বাসভবনে রোববার এক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের বলেন, ‘গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্বীকৃত সংগঠনের বাইরে কোনো মনগড়া বা হঠাৎ গজিয়ে ওঠা সংগঠনকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া এবং করার কোনো সুযোগ নেই।’

তিনি বলেন, “দলের গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী আওয়ামী লীগের রয়েছে সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন এবং বিভিন্ন উপকমিটি। স্বীকৃত সংগঠনের বাইরে যেকোনো নামের সাথে ‘লীগ’ বা ‘আওয়ামী’ শব্দ জুড়ে দিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

সম্প্রতি ফেসবুকে নেতা বানানোর ঘোষণা দিয়ে ছবি পোস্ট করে বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ নামের একটি সংগঠন। নামসর্বস্ব এই সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে নাম আসে হেলেনা জাহাঙ্গীরের। আর সাধারণ সম্পাদক করা হয় মাহবুব মনিরকে। তাদের নাম-সংবলিত পোস্টারে ছেয়ে যায় ফেসবুক।

পোস্টারে সংগঠনটির জেলা, উপজেলা ও বিদেশি শাখায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দেয়া হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সংগঠনটির দাবি, দুই-তিন বছর ধরে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা করছে তারা। যদিও আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, সংগঠনটির সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই।

এ নিয়ে শুক্রবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে । পরের দিনই হেলেনাকে দলের মহিলাবিষয়ক উপকমিটি থেকে বাদ দেয়া হয়।

ব্রিফিংয়ে কাদের বলেন, ‘দল ক্ষমতায় থাকলে নানান সুবিধাভোগী শ্রেণি এবং বসন্তের কোকিলরা এ ধরনের চেষ্টায় লিপ্ত হয়, যুক্ত হয় নানান আগাছা-পরগাছা।

‘দলীয় সভানেত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী দলের মধ্যে কারও প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে এ ধরনের কাজে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলের নাম ভাঙিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের অপচেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোনো বিতর্কিত ব্যক্তির দলে অনুপ্রবেশ ঘটলে কিংবা কারও কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠলে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা যেতে পারে।’

Bootstrap Image Preview