Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ০৯ মঙ্গলবার, মার্চ ২০২১ | ২৪ ফাল্গুন ১৪২৭ | ঢাকা, ২৫ °সে

রাজধানীতে টাকার প্রলোভনে সমকামিতায় লিপ্ত করায় একজন খুন!

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮ জানুয়ারী ২০২১, ১২:৪৮ PM
আপডেট: ০৮ জানুয়ারী ২০২১, ১২:৪৮ PM

bdmorning Image Preview
প্রতীকী ছবি


টাকার প্রলোভন দেখিয়ে ফুসলিয়ে সমকামিতায় লিপ্ত করায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী শাহ আলমকে হত্যা করেন দিনমজুর রহমত উল্লাহ। হত্যা মামলার তদন্ত নেমে এমন লোমহর্ষক ঘটনা উদঘাটন করে রাজধানীর ভাষাণটেক থানা পুলিশ।

মামলার আসামি রহমত উল্লাহও পুলিশের কাছে স্বীকার করে জবনবন্দিতে বলেন, প্রায় দেড় বছর ধরে আমার সঙ্গে শাহ আলমের পরিচয়। সে অর্থের লোভ দেখিয়ে ফুসলিয়ে আমার সাথে সমকামিতায় লিপ্ত হতো। কেবল তা’ই নয়, আমি ছাড়াও শিশু ও অন্য পুরুষের সঙ্গে সে সমকামিতায় লিপ্ত হতো। তার এই অপকর্ম আমার জীবনকে অতিষ্ট করে দিচ্ছিলো, এমন পরিস্থিতির কারনেই আমি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যা করি।

জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত রহমত উল্লাহ ভাষানটেকের মাটিকাটা এলাকায় দিনমজুরি করতেন। গত বুধবার (৬ জানুয়ারি) রাতে তাকে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৩৯ বছর বয়সী শাহ আলম অবিবাহিত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ত্রিশালে। ভাষানটেক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রহমত ‘হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন জানিয়ে ওসি বলেন, প্রায় দেড় বছর ধরে রহমত উল্লাহর সঙ্গে শাহ আলমের পরিচয়। অর্থের লোভ দেখিয়ে শাহ আলম তাকে সমকামে জড়ায়। এ থেকে ক্ষিপ্ত হয়েই সে শাহ আলমকে খুন করে বলে জানিয়েছে।

গত ১ জানুয়ারি মিরপুরের ভাষানটেক মাটিকাটা এলাকার একটি ভবনের পাঁচতলার চিলেকোঠার একটি কক্ষ থেকে শাহ আলমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয় বলে সে সময় জানিয়েছিলেন ওসি দেলোয়ার।

যেভাবে শাহ আলমকে খুন করা হয়:

জিজ্ঞাসাবাদে রহমত উল্লাহর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে ওসি দেলোয়ার হোসেন বলেন, রহমত উল্লাহ ৩০ ডিসেম্বর রাতে শাহ আলমের বাসায় যান এবং দুজনে একসঙ্গে টিভি দেখতে থাকেন। এক সময় শাহ আলম ঘুমিয়ে পড়েন। ভোর ৪টার দিকে রহমত উল্লাহ রান্না ঘর থেবে চাকু নিয়ে ঘুমন্ত শাহ আলমের পিঠে আঘাত করে। তখন ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে মাথায় আঘাত করলে শাহ আলম খাটের উপর পড়ে যায়। এরপর আলমের গলায় চাপ দিয়ে এবং পেটে ছুরি মেরে তার মৃত্যু নিশ্চিত করার কথা জানায় রহমত উল্লাহ।

হত্যাকাণ্ডের পর ছুরিটি বিছানার নিচে লুকিয়ে রেখে বাথরুমে শরীরের রক্ত পরিষ্কার করে কক্ষের বাইরে তালা মেরে সে পালিয়ে যায় বলে পুলিশকে জানিয়েছে।

Bootstrap Image Preview