Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৮ শুক্রবার, সেপ্টেম্বার ২০২০ | ৩ আশ্বিন ১৪২৭ | ঢাকা, ২৫ °সে

করোনা ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারকে এক মাসের খাদ্য সহায়তা করেছে ‘টিম চারু’

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ মে ২০২০, ০২:১৭ AM
আপডেট: ২৫ মে ২০২০, ০২:১৭ AM

bdmorning Image Preview


আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে করোনা ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারকে এক মাসের খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহায়তা করেছে টিম চারু। টিম চারু হলিক্রস কলেজের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত। সংগঠনের মুল ট্যাগ হলো- 'লেটস গিভ আ রিজন টু স্মাইল'। গত ১০ দিনে তারা মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ফার্মগেট, মহাখালী ও ডেমরার ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় সবমিলিয়ে ২০০ টি পরিবারকে এই ঈদ উপহার পৌঁছে দেন।

করোনার এই ক্রান্তি-লগ্নে দেশের মানুষের সিংহভাগ কর্মহীন রয়েছে, কারো বেতন-ভাতা রয়েছে বকেয়া। ও অবস্থায় শুধু ছিন্নমূল নয়, নিম্ন-মধ্যবিত্ত এবং ক্ষেত্র বিশেষে মধ্যবিত্তরাও রয়েছে অভাব-অনটনের মধ্যে৷ এই পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে টিম চারু ১০ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত দশ দিনের একটি ইভেন্ট আয়োজন করেন 'এক চিলতে হাসি' নামে।

টিম চারুর প্রতিষ্ঠাতা মেরিনা মিতু হলিক্রস কলেজের ৬৫ ব্যাচের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, 'এই ইভেন্টে আমরা মূলত নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের টার্গেট করেছি। কারণ ছিন্নমূল মানুষেরা কোনো না কোনোভাবে এক দু বেলার খাবার ম্যানেজ করে নিচ্ছে। কিন্তু আত্নমর্যাদার কারণে নিম্ন মধ্যবিত্ত কিংবা মধ্যবিত্ত মানুষেরা কারো কাছে হাত পাততে পারেনা। ত্রাণের লাইনে গিয়ে দাড়াতে পারে না। তাই আমরা যে ২০০ টি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছি তাদের পরিচয় গোপন রেখেছি৷

তিনি আরো বলেন, 'টিম চারু একসময় এমন একটি জায়গায় পৌঁছাবে, যেখানে টিম চারু হবে অসহায়দের ভরসার জায়গা, সমস্যা সমাধানের জায়গা'।

এক মাসের খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে- চাল, ডাল, আলু, পেয়াজ, তেল, ডিম, আটা, মুড়ি, ছোলা, চিনি, সেমাই। ক্ষেত্র বিশেষে বাচ্চার জন্য গুড়ো দুধ৷ ১০ জনের কমিটি সদস্য নিয়ে টিম চারুতে বর্তমানে ৮৫ জন ভলান্টিয়ার কাজ করছে।

সংগঠনটির কমিটি নিম্নরুপ-  প্রতিষ্ঠাতা: মেরিনা মিতু (ক্রসিয়ান-৬৫) জেনারেল সেক্রেটারি: লাবিবা কিশয়ার আজিজ (ক্রসিয়ান-৬৭) ট্রেজারার(ভারপ্রাপ্ত): অত্রি অ্যাথেনা (ক্রসিয়ান-৬৮) কমিউনিকেশন অফিসার: অত্রি অ্যাথেনা (ক্রসিয়ান-৬৮) মেডিকেল এডভাইজার: লাবণী সাহা (ক্রসিয়ান-৬৭) কালচারাল এডভাইজার: জ্যোতি (ক্রসিয়ান-৬৫) কালচারাল অফিসার: স্বস্তিকা রিন্তি (ক্রসিয়ান-৬৮)।  

সিনিয়র এক্সিকিউটিভ: ফারিহা হক চৌধুরী (ক্রসিয়ান-৬৯)। 

ক্যাম্পাস কো-অর্ডিনেটর(জগন্নাথ): সানজানা নাওয়ার (ক্রসিয়ান-৬৭) ক্যাম্পাস কো-অর্ডিনেটর (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়): ফাতেমা রহমান (ক্রসিয়ান-৬৭)।

ক্যাম্পাস কো-অর্ডিনেটর (শেরে বাংলা মেডিকেল): মোসা. সিরাজাম মুনিরা (ক্রসিয়ান-৬৭) ক্যাম্পাস কো অর্ডিনেটর ( শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ): খাদিজা বিনতে আনোয়ার (ক্রসিয়ান-৬। 

কমিটি আগামি এক বছরের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এক বছর পর পুনরায় গঠিত হবে।

Bootstrap Image Preview