Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৮ শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

খোকন মনে কষ্ট পেলেও আমার সঙ্গে আছেনঃ তাপস

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারী ২০২০, ০৭:২২ PM
আপডেট: ২১ জানুয়ারী ২০২০, ০৭:২২ PM

bdmorning Image Preview


বর্তমান মেয়র সাঈদ খোকন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চেয়েও বঞ্চিত হন। এ কারণে তার মনে কষ্ট থাকলেও তিনি দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস। তবে সাঈদ খোকন এখনো মেয়র থাকায় সরাসরি তার পক্ষে প্রচারে নামতে পারছেন না বলে জানান তাপস।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর রায়সাহেব বাজারে নির্বাচনী গণসংযোগ শুরুর আগে পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

২০১৫ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র হন সাঈদ খোকন। তার বাবা মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন অবিভক্ত ঢাকার প্রথম নির্বাচিত মেয়র। তবে এবার সাঈদ খোকনকে বাদ দিয়ে শেখ ফজলে নূর তাপসকে বেছে নেয় ক্ষমতাসীন দল।

তাপস বলেন, ‘সাঈদ খোকন এখনো মেয়র রয়েছেন। চেয়ারে থেকে তিনি নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন না। তবে সাঈদ খোকন আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। আড়ালে আমার জন্য কাজ করছেন।’

তিনি বলেন, ‘এবার মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি মনে কষ্ট পেয়েছেন। এটা স্বাভাবিক। কারণ তিনিও তো দল করেন। খোকন মনোকষ্ট পেলেও আমার পক্ষে আছেন।’

তাপস আরও বলেন, ‘ঢাকার মানুষ ১ ফেব্রুয়ারির অপেক্ষায় রয়েছে। সেই দিন তারা নৌকার পক্ষে রায় দেবে। নৌকার বিজয় হলে উন্নত ঢাকার সূচনা হবে। ঢাকাকে উন্নত করার বার্তা সবার কাছে পৌঁছে দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমরা এই ঢাকাকে আরও উন্নত ঢাকা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এজন্য পাঁচটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা কর্মসূচি ঘোষণা করেছি।’

ইভিএম প্রসঙ্গে ঢাকা দক্ষিণের এই মেয়রপ্রার্থী বলেন, ‘নির্বাচনে ভোট দেয়ার একটা আধুনিক পদ্ধতি এটি। ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দেয়ার জন্য ঢাকাবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি তারা নৌকার পক্ষে রায় দিয়ে উন্নত ঢাকা গড়ার জন্য আমাকে সুযোগ দেবেন এই কামনা আমি করছি।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, পারভীন জামান কল্পনা, সানজিদা খানম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

Bootstrap Image Preview