Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১১ মঙ্গলবার, আগষ্ট ২০২০ | ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭ | ঢাকা, ২৫ °সে

কোথায় এতো সাহস পায় নরপশুরা? আমরাও কি ভারতের পথেই হাঁটছি?

রাশেদা রওনক খান
প্রকাশিত: ০৬ জানুয়ারী ২০২০, ০৬:৩১ PM
আপডেট: ০৬ জানুয়ারী ২০২০, ০৬:৩৩ PM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত


'৯০ পরবর্তী প্রায় ত্রিশ বছর (মাঝে দুই বছর বাদ) যে দেশের শাসন ক্ষমতা নারীদের হাতে, সেই দেশে ধর্ষণের বিচারিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনে বাধা কোথায়?

নারীর ক্ষমতায়নের যুগে এই মুহূর্তে রাষ্ট্রের কাছে ধর্ষণ এর ক্ষেত্রে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী করছি| যে দেশে প্রায় ত্রিশ বছর হতে যাচ্ছে শাসন ক্ষমতা নারীর হাতে, সেই দেশে ধর্ষণের বিচারিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন না আসার অর্থ হচ্ছে, পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজে আদতে নারীরা দিনকে দিন অসহায় হয়ে পড়ছে, যতই আমরা আমাদের 'জয়িতা' বলি!

জয়িতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীই হউক কিংবা মাদ্রাসায় পড়ুয়া হউক, কিংবা ৮ মাসের মেয়ে শিশু হউক, তাতে পশুদের কিছু আসে যায়না কারণ তারা জানে, ধর্ষণের বিচার প্রক্রিয়ায় অনেক ফাঁক ফোঁকর আছে, তারা সহজেই পার পেয়ে গেছে, যাবে, যাচ্ছে.....| সেসব ফাঁক ফোঁকর বন্ধ করে দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ায় আমাদের যেতে হবে| আমাদের দেশে বছরের পর বছর বহু ধর্ষণের মামলা ঝুলে আছে, হয়তো সেটাই পশুদের অনুপ্রেরনা হিসেবে কাজ করছে!

নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে পরীক্ষামূলকভাবে তিনটি দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রাধান্য দেয়া হয়, সেগুলো হল- সমন্বিত উন্নয়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধি। সমন্বিত উন্নয়ন তত্ত্বের মূল দর্শনই হচ্ছে, পরিবার ও সামাজিক উন্নয়ন, যার চাবিকাঠি মূলত নারী উন্নয়ন, অথচ নারীই সবচেয়ে এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে অবহেলিত, নিপীড়িত, শোষিত, নির্যাতিত এমনকি ধর্ষিত!

এই ধরণের ধর্ষণের কারণে বিশ্বব্যাপী ভারত আলোচিত ও সমালোচিত| আমরাও কি একই পথে হাঁটছি?

লেখক:

রাশেদা রওনক খান

সহকারী অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

Bootstrap Image Preview