Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৮ শনিবার, মার্চ ২০২০ | ১৪ চৈত্র ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

শিক্ষকদের বেতন না দেয়ায় পাঠদান বন্ধ, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল ২০১৯, ০৫:১৯ PM
আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০১৯, ০৫:১৯ PM

bdmorning Image Preview


ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বেতন না পেয়ে পাঠদান বন্ধ করে দিয়েছে। পাঠদান বন্ধ থাকায় শিক্ষকদের বেতন দাবি ও পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করে।

শনিবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১১টায় বিদ্যালয় চত্ত্বরে ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ করা হয়। ঐসময় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের জানালার গ্লাস ভাংচুর করে।

পরে উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষকরা অনুরোধ জানালে তারা বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিদ্যালয় ছেড়ে চলে যায়। বিক্ষোভকালে শিক্ষকরা স্কুল তালাবন্ধ করে অফিস কক্ষে অবস্থান নেয়।

বিদ্যালয়ে থাকায় ক্রীড়া শিক্ষক মোঃ বেলায়েত হোসেন জানান, আমরা প্রায় চার মাস যাবৎ বেতন পাচ্ছি না। আমরা অর্থনৈতিকভাবে ভীষণ সমস্যার মধ্যে রয়েছি। বেতন না পেলে আমরা আর শ্রেণিকক্ষে ফিরবো না।

কেন বেতন পান না- এ প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমাদের বিল নিয়ে বর্তমান (এডহক) কমিটির সভাপতি ইউএনও মহোদয়ের নিকট যাননি। বেতন হবে বলে বিভিন্ন প্রকার ছলছাতুরী করছেন প্রধান শিক্ষক।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উপস্থিত না থাকায় তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীরা জানান, বিদ্যালয়ে এক সপ্তাহ ধরে কোনো ক্লাশ হচ্ছে না। এতে আমাদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে। তাছাড়াও প্রধান শিক্ষকের কারনে স্যার বেতন পাচ্ছে না। আমরা প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ চাই।

সদরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ জালাল উদ্দিন বলেন, বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে এ কথা তিনি জানেন না।

শিক্ষকরা বেতন না পাওয়া প্রসঙ্গে জানান, প্রধান শিক্ষক বিল নিয়ে এডহক কমিটির সভাপতির নিকট আসেননি। দুইজনের স্বাক্ষরে বিল উত্তোলন হয়।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ে এডহক কমিটির সভাপতি ইউএনও পূরবী গোলদার বলেন, আমি বর্তমানে জাতীয় শিক্ষা বোর্ডের অনুমতিক্রমে ওই বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি। আমি প্রধান শিক্ষককে পরপর তিনবার সভা করার আহ্বান জানালেও তিনি কোনো সভা করেননি। বরং তিনি আমাকে সভাপতি হিসাবে মানেন না। প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর না পেলে আমিতো আর বেতন আদায়ে স্বাক্ষর দিতে পারি না।

Bootstrap Image Preview