Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৮ সোমবার, সেপ্টেম্বার ২০২০ | ১২ আশ্বিন ১৪২৭ | ঢাকা, ২৫ °সে

বাদ আসর সোনাগাজীতে দাদির পাশে শায়িত হচ্ছেন নুসরাত

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ এপ্রিল ২০১৯, ১০:২৩ AM
আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০১৯, ১০:২৩ AM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত ছবি


সোনাগাজীর সাবের পাইলট হাইস্কুল মাঠে বাদ আসর জানাজা হবে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির। এরপর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাদির কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

বুধবার রাতে নুসরাত জাহান রাফির মরদেহ হিমঘরে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে। এর পর তাকে নেয়া হবে ফেনীর সোনাগাজীতে।

এর আগে বুধবার রাত ৯টার দিকে ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যান।

নুসরাতের চাচা নুরুল হুদা শামীম জানান, পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার তাকে দাফন করা হবে। বাদ আসর সোনাগাজী সাবের পাইলট হাইস্কুল মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

উল্লেখ্য, ৬ এপ্রিল সকালে আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় যান নুসরাত জাহান রাফি। মাদ্রাসাছাত্রী তার বান্ধবী নিশাতকে ছাদের ওপর কেউ মারধর করছে, এমন সংবাদে তিনি ছাদে যান।

সেখানে বোরকাপরা ৪-৫ জন তাকে অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে করা শ্লীলতাহানির মামলা তুলে নিতে চাপ দেয়।

অস্বীকৃতি জানালে তারা রাফির গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় সোমবার রাতে অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা ও পৌর কাউন্সিলর মুকছুদ আলমসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন অগ্নিদগ্ধ রাফির বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান।

এর আগে ২৭ মার্চ ওই ছাত্রীকে নিজ কক্ষে নিয়ে শ্লীলতাহানি করেন অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা।

এ ঘটনায় ছাত্রীর মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। ওই দিনই অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলাকে আটক করে পুলিশ। সে ঘটনার পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

রাফিকে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলাসহ তিনজনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সরাফ উদ্দিন আহম্মেদ এ আদেশ দেন।

কোর্ট ইন্সপেক্টর গোলাম জিলানী জানান, এসএম সিরাজউদ্দৌলাকে সাত দিন, একই মাদ্রাসার ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক আবছার উদ্দিন ও সহপাঠী আরিফুল ইসলামকে পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর আগে মঙ্গলবার একই আদালত আসামি নুর হোসেন, কেফায়াত উল্লাহ, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন ও শাহিদুল ইসলামকে পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রত্যেককেই সাত দিন করে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানানো হয়েছিল। এদিকে মঙ্গলবার রাতে আটক উম্মে সুলতানা পপি (অধ্যক্ষের শ্যালিকার মেয়ে) এবং বুধবার সন্ধ্যায় মামলার এজাহারনামীয় আসামি যোবায়ের হোসেনকে আদালতে হাজির করে সাত দিন করে রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। আবেদনের ওপর আজ শুনানি হবে।

Bootstrap Image Preview