Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ৩০ শনিবার, মে ২০২০ | ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ | ঢাকা, ২৫ °সে

নতুন বাজেটে প্রতি পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০ মার্চ ২০১৯, ১০:৩৯ PM
আপডেট: ১১ মার্চ ২০১৯, ০৭:১৭ PM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত


অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে প্রতি পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়া হবে।

রবিবার (১০ মার্চ) রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী। সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত চলে এ সভা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটে আমদানি, দারিদ্র বিমোচনসহ প্রস্তুত পণ্যগুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।এছাড়াও গ্রামকে শহর ও যুব শক্তিকে কর্মসংস্থানে প্রাধান্য দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, এবারের বাজেট সংক্ষিপ্ত ও সহজ ভাষায় তৈরি হবে। যাতে সকল স্তরের মানুষ তা বুঝতে পারে।

এবারের বাজেটের আকার বৃদ্ধি পেতে পারে যা গত বছরের তুলনায় আরো বেশি হতে পারে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের জন্য প্রাথমিকভাবে বাজেটের আকার ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ২৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা বা সাড়ে ১৩ শতাংশ বেশি।

ভ্যাট নিয়ে আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, আগামী এক জুলাই থেকে নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর করা হবে।

তিনি বলেন, ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন নিয়ে এক প্রশ্নের জাবাবে মন্ত্রী বলেন, ১ জুলাই থেকে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন হবে ঠিকই, কিন্তু সেটা স্বল্প পরিসরে। বিশ্বের কোথাও এমন কি ভারতে এক সঙ্গে বাস্তবায়ন হয়নি। এ জন্য আমরা ধীরে ধীরে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন করব।

তিনি বলেন, ভ্যাট আইনে বাস্তবায়নে যদি সারাদেশে ৫০ হাজার মেশিন বসানো হয়, তাহলে সেই মেশিন পরিচালনা করতে গিয়ে জনবল দরকার হবে। এভাবেই কর্মসংস্থানের সুযোগের সৃষ্টি হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে ‘আমার গ্রাম আমার শহর’। বাজেটেও এ বিষয় গুরুত্ব পাবে। গ্রামে সব ব্যবস্থা করে দেবো। অবকাঠামো উন্নয়নের সব ছোঁয়া লাগবে গ্রামে। গ্রামে এখন ৪জি আছে, কিছু দিন পরে দরকার হলে ৫জি চলে যাবে। গ্রামে বিদ্যুৎ চলে গেছে আমরা অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়ন করব। বিচার পেতে গ্রামের মানুষকে ঢাকায় আসতে হবে না, সেই বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আগামী বাজেটে দু’টি বিষয় মূল এজেন্ডা উল্লেখ করে মুস্তফা কামাল বলেন, একটি গ্রামে শহরে সুবিধা অন্যটি যুবগোষ্ঠী কর্মসংস্থান। আমরা যুব সমাজকে প্রকৃত অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে তৈরি করতে চাই। এ জন্য সারাদেশে ১০০টি অর্থনৈতিক জোন করা হচ্ছে। বাস্তবে ইকোনোমিক জোনের সংখ্যা আরও বেড়ে যাবে। এগুলো কাজ শেষ হলে গ্রামীণ অর্থনৈতিক অবস্থা চাঙ্গা হবে এবং লাখ লাখ যুবকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

আগামী (২০১৯-২০) অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নে প্রথম প্রাক বাজেট আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থ সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির এনবিআর, চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়াসহ প্রমুখ।

সভায় দেশের থিংক ট্যাংক প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস), ইকোনমিক রিসার্চ গ্রুপ (ইআরজি), বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি (বিইএফ), পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদরা ছাড়া বাংলাদেশ জুট গুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Bootstrap Image Preview