Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৩ সোমবার, জুলাই ২০২০ | ২৯ আষাঢ় ১৪২৭ | ঢাকা, ২৫ °সে

ফাইভজি মোবাইল সেবার নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার

হাসান বখস, কাতার প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০১৮, ০৪:৩৪ PM
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০১৮, ০৪:৩৪ PM

bdmorning Image Preview


কাতারের দুই সেলফোন অপারেটর উরিডু ও ভোডাফোন কাতার সম্প্রতি দেশটিতে ফাইভজি নেটওয়ার্ক চালু করেছে। এতে ফাইভজি মোবাইল সেবার নেতৃত্বের আসনে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশ। অক্সফোর্ড বিজনেস গ্রুপ (ওবিজি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। খবর দ্য পেনিনসুলা কাতার।

গত মে মাসে উরিডু ফাইভজি সেবার প্রথম পরীক্ষা চালায়। জুলাইয়ের শেষ দিকে উরিডু জানায়, কাতারে ৫০টি নেটওয়ার্ক স্টেশনে সফলভাবে ফাইভজি সেবা চালু করা হয়েছে। এতে বিশ্বে তারাই প্রথম কোম্পানি, যারা বাণিজ্যিকভাবে ফাইভজি নেটওয়ার্ক সেবা চালু করল। অন্যদিকে গত ২৬ আগস্ট ভোডাফোন কাতারও ফাইভজি সেবা চালু করে। এ প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা করেছে তাদের প্রথম এন্টারপ্রাইজ গ্রাহক সাবমেরিন কেবল সেবাদাতা গালফ ব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল।

বলা হচ্ছে, ফাইভজি সেবায় ডাউনলোড স্পিড অনেক বেশি হবে। এ নেটওয়ার্ক সেবায় দ্রুত ডাটা স্থানান্তর সম্ভব হবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফাইভজি সেবা চালুর ফলে কাতারের স্থানীয় আইটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো সুবিধা পাবে। নতুন অ্যাপ্লিকেশনের উন্নয়ন ও উন্নত প্রোগ্রামিংয়ে তাদের সুযোগ সৃষ্টি হবে। উচ্চগতির মোবাইল নেটওয়ার্কের কারণে কাতারের ক্রমবর্ধমান ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) সেগমেন্ট সম্ভবত বেশি সুবিধা পাবে।

গত মার্চে উরিডুর পক্ষ থেকে জানানো হয়, জার্মানিভিত্তিক সফটওয়্যার এজির সঙ্গে তারা জোট বাঁধতে যাচ্ছে, যাতে কিউমোলসিটি আইওটি প্লাটফর্ম ব্যবহার করা যায়। 

উরিডুর সিওও ইউসুফ আবদুল্লাহ আল কুবাইসি বলেন, ফাইভজি নেটওয়ার্ক চালুর পরিপ্রেক্ষিতে পরিবহন, রিটেইল, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও বিনোদন খাতের আইওটি অ্যাপ্লিকেশনে তারা সম্ভাবনা দেখছেন। 

গালফ ব্রিজ ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল রাওয়াইলি বলেন, আগামী বছরগুলোয় কাতারে এন্টারপ্রাইজ ও ব্যক্তি পর্যায়ে ইন্টারনেট চাহিদা দ্রুত বাড়বে। শিক্ষা, পরিবহন, হাইড্রোকার্বন ও সরকারি সেবার মতো খাতে এর চাহিদা বাড়বে। 

২০৩০ সালের মধ্যেই কাতার তাদের ডিজিটাল সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এজন্য দেশটিকে স্থানীয় ইন্টারনেট সক্ষমতা বাড়াতে হবে।  

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাতার সরকার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখতে চায়। দেশটি সমন্বিত ই-সরকারি সেবার উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মাধ্যমে কাতার ডিজিটাল সক্ষমতা বাড়ানোর প্রত্যাশা করছে।

তথ্যপ্রযুক্তি সেবা প্রতিষ্ঠান মালোমাটিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউসুফ আল নামা ওবিজিকে বলেন, চলমান অবরোধ সত্ত্বেও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সরকারি ব্যয় কমানো হয়নি, বিশেষ করে ই-সরকারি সেবার উন্নয়ন ও কাতারের অর্থনীতির ডিজিটাল রূপান্তরে।  

কাতারের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো খাত বর্তমানে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়েছে। সাইবার নিরাপত্তার মতো অন্যান্য তথ্যপ্রযুক্তি সেবাও আনুপাতিক হারে বাড়ছে।
 

Bootstrap Image Preview