Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২০ মঙ্গলবার, অক্টোবার ২০২০ | ৫ কার্তিক ১৪২৭ | ঢাকা, ২৫ °সে

ভর্তি পরীক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ আটক জবি ছাত্রলীগের ২ কর্মী

ক্রাইম ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর ২০১৮, ০৯:০১ PM
আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০১৮, ০৯:০১ PM

bdmorning Image Preview
ফাইল ছবি


ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা এক শিক্ষার্থীকে ‘যৌন হয়রানি’ করার অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) এর ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলামের সমর্থক হিসেবে পরিচিত বলে জানা যায়।

আজ শনিবার (৬ অক্টোবর) ‘যৌন হয়রানির’ শিকার ঐ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করলে আটক করা হয় তাদের। প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা মেলায় তাদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগের ২ কর্মীরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র জয়নুল আবেদীন ও একই বিভাগের মোবারক ঠাকুর প্রিন্স।

লিখিত অভিযোগে হয়রানির শিকার ওই শিক্ষার্থী বলেছেন, ‘পরীক্ষা শেষে বিজ্ঞান অনুষদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় অভিযুক্তরা ডাক দেন। পরিচয় দেওয়ার পর তারা তার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গা লক্ষ্য করে অশালীন ইশারা এবং নানা ধরনের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন।

শুধু অশালীন মন্তব্য করেই থেমে যায়নি তারা, বরং আমি ওড়না কেন পরি না তাও জানতে চায় তারা এবং মানিব্যাগ থেকে আমাকে ওড়না কেনার টাকা দিতে চায়। এসময় তারা আমার সাথে সর্বোচ্চরকম অশালীন কথাবার্তা বলে।’

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জন ছাত্রের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের কোতয়ালী থানায় সোপর্দ করেছি। আগামী কর্মদিবসে সর্বোচ্চ মহলে আলোচনা করে তাদের ব্যাপারে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এদিকে অভিযুক্তদের নিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় ছাত্রলীগের কর্মীদের বাধার মুখে পড়ে পুলিশ। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ছাত্রলীগ কর্মীদের শান্ত করেন।

এ বিষয়ে প্রক্টর নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘আমি তাদের কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী বলব না, যারা পুলিশের গাড়ি অবরোধ করার চেষ্টা করেছিল তারা অভিযুক্তদেরই বন্ধুবান্ধব ছিল। তারা চেয়েছিল যেন ঘটনাটি ক্যাম্পাসেই মীমাংসা করা হয়।’

ঘটনা প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘যারা অন্যায় করবে তাদেরকেই শাস্তি পেতে হবে, সে যেই হোক না কেন।’

Bootstrap Image Preview