Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ০৯ রবিবার, আগষ্ট ২০২০ | ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭ | ঢাকা, ২৫ °সে

মাঠের যোদ্ধা বনাম ‘ফেসবুকখোর’

আল আমিন হুসাইন
রিপোর্টার
প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর ২০১৮, ০৫:৩৯ PM
আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০১৮, ০৭:২৬ PM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত


শুরুতে একটি রম্য দিয়ে শুরু করতে চাই। এক যুবক বাসর রাতে ফেসবুক লগ ইন করে দেখলো একটি অপরিচিত আইডি থেকে মেসেঞ্জারে লেখা এসেছে ‘জামাই প্লিজ একসেপ্ট  মি।’ জামাই বলে সম্মোধন লেখা দেখে যুবক বুঝেই ফেললো তার শ্বশুর বা শ্বশুর শ্রেণির কেউ। প্রোফাইল চেক করে দেখলো এটা তারই শ্বশুর। একসেপ্ট করতেই শ্বশুর মেসেজ দিলো "জামাই কি করছ? শ্বশুরের এমন প্রশ্নে নিজের মাথার চুল টানতে লাগলেন ছেলেটি। মনের দুঃখে চারপাশে বিষের বোতল খুঁজতে লাগলেন। কিন্তু  শেষ পর্যন্ত বিষের বোতল আর পাওয়া যায়নি।''

দিনে দিনে ফেসবুকের প্রতি মানুষের আসক্তি আর হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে যেভাবে যত্রতত্র নিজেদের উপস্থিতি জানান দিতে আমরা উঠে পড়ে লেগেছি তাতে এমন ঘটনাও যে ঘটতে পারে সেটা  অস্বাভাবিক নয়।

আরেকটি কথা বলে মূল লেখায় যেতে চাই। ফেসবুক নিয়ে সম্প্রতি একটি গান গেয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন চমক হাসান নামের এক তরুণ শিল্পী। তার গানের কয়েকটি লাইন ছিলে এমন- ‘কেউ কারো চেয়ে কম ‍বুঝে কি, সবাই সব-এ বিশেষজ্ঞ। ফেসবুক জুড়ে চলছে শুধু আমি-আমার মহাযজ্ঞ।আমি বিরাট বড় বোদ্ধা, আমি অনলাইনের যোদ্ধা, নেই ঢাল তলোয়ার আছে ফ্যান ফলোয়ার।’

এ কথাগুলো বলা সম্প্রতি বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের কয়েকজন তারকা খেলোয়াড়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস আর তার বিপরীতে কিছু ফেসবুকখোরদের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের বিপরীতে।

আমরা এখন নিজেদের জাহির করতে ব্যস্ত। সবকিছুতে আমরা নিজেদেরকে বিজ্ঞ ভেবে উপদেশ প্রদান না করে থাকতে পারি না। আবার অন্যের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়েও আমাদের চুলকানি কম থাকে না। আমরা এখন সব কিছুতে এক হাত নেয়ার চেষ্টায় আছি।

আমরা যারা সংবাদমাধ্যমে কাজ করি তারা জানি, খ্যাতি হলো সংবাদের একটি উপাদান। খ্যাতিমান বা সেলিব্রেটিদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, দৈনন্দিন জীবন যাপন নিয়ে সাধারণের আগ্রহ থাকে অনেক। সেই আগ্রহ মেটানোর অনেক সুযোগ হয়েছে ফেসবুকের কল্যাণে।

ফেসবুকের সেই কল্যাণেই আমরা গত ২৯ সেপ্টেম্বর (শনিবার) রাতে জানতে পারলাম বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদ প্রথম  পিতৃত্বের স্বাদ গ্রহণ করেছেন। প্রথম সন্তানের বাবা হওয়া কতটা আনন্দের সেটা যারা প্রথম বাবা হওয়ার স্বাদ নিয়েছেন তারা হয়তো বলতে পারবে। বাবা হওয়ার এই সুসংবাদ দেশের মানুষের সাথে শেয়ার করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অফিসিয়াল পেইজে স্ত্রী-নবজাতক সন্তানের ছবি পোস্ট করে লিখেন 'আলহামদুলিল্লাহ, মাই বয়'।

 এই আনন্দের খবর সবাইকে জানানোর জন্য ছবি আপলোড করেছিলেন তাসকিন। সেই ছবিই যেন কাল হয়ে দাঁড়াল তাসকিনের পরিবারের জন্য। শুরু হয় তাসকিনের নবজাতক সন্তানের ভূমিষ্ট হওয়ার সময় নিয়ে বির্তক। তাসকিন ও তার স্ত্রীকে আক্রমণ করে একের পর এক নোংরা ভাষায় মন্তব্য করতে শুরু করে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। যে ভক্তদের ভালোবাসায় আর শুভেচ্ছার জন্য নিজের সন্তান হওয়ার সুখবর জানালো সেই ভক্তরাই তার নিষ্পাপ নবজাতকের ভূমিষ্ট হওয়ার সময় নিয়ে প্রশ্ন করলো নির্ধিধায়। যার প্রতিক্রিয়ায় তাসকিন জানাতে বাধ্য হন তাদের বিয়ে কবে হয়েছে, আর গর্ভের সন্তান আসলে কত দিনে তা ভূমিষ্ঠ হয়।

প্রথম বাবা হওয়ার খুশিতে যখন মেতে থাকবেন তাসকিন। তখন তাকে সামলাতে হয়েছে একের পর নিষ্পাপ নবজাতক নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের। শেষ পর্যন্ত নিজেকে সামলাতে না পেরে তাসকিন কমেন্ট বক্সে  লেখেন-

‘সবার উদ্দেশ্যে একটা কথা বলি, কেউ মনে কিছু নিয়েন না, আমার বিয়ে হইছে ১১ মাস। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ থেকে এসেই বিয়ে করলাম ৩১ অক্টোবর এবং বিয়ের বয়স হলো ১১ মাস, সাউথ আফ্রিকা ছিলাম ৪৮ দিন, সব মিলিয়ে হলো ১২ মাস ১৮ দিন। আমার পুত্র সন্তান হইলো ৯ মাস ২৭ দিনে.. যদি বিয়ের আগে আমার স্ত্রী প্রেগন্যান্ট হইতো তা হলে আমার বাচ্চা বিয়ের ৬ মাস এর মধ্যেই দুনিয়াতে থাকত..যাই হোক যাদের ভুল ধারণা ছিল আমাদের প্রতি; তাদের জন্য এই মেসেজটি। ধন্যবাদ!’

আমরা কতটা দুর্ভাগা যে যারা খেলার মাঠে বিশ্বে বাংলাদেশকে মাথা উচু করে দাঁড় করানোর জন্য প্রতিনিয়ত লড়াই করে যান। একের পর চোটে জর্জরিত হয়ে কোটি মানুষের আবেগ আকাঙ্ক্ষার জায়গা বুকে নিয়ে লড়াই করেন। সেই তাদেরকে নিয়ে  খুব সহজেই নোংরা মন্তব্য করতেও আমরা ছাড়ি না।

কতটা কষ্ট পেয়েছে তাসকিন সেটা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবেন না হয়তো। যারা সদ্য বাবা হওয়া একজন তারকা খেলোয়াড়কে নিয়ে এমন বাজে মন্তব্য করেছেন তাদেরকে হয়তো আমরা তিরস্কার করতেই পারবো। শুধু তাসকিন নয় কোন বাবাকেই তার সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার সময় দিনক্ষণ হিসাব করে দেশের মানুষের সামনে দিতে হবে সেটা কারো কাম্য নয়।

সব সমাজে কিছু কিছু কীট থাকে। যারা জায়গা বুঝে না, সময় বোঝে না, ভালো খারাপ বোঝে না। বরং নিজেদের জাহির করাই একমাত্র কাজ বলে মনে করে। ফেসবুকের এই জামানায় আমরা হিতাহিত হারিয়ে জায়গা পেলেই নিজেদের বিষ্ঠা ত্যাগ করতে দ্বিধাবোধ করি না।

যেকোন কিছুতে আমরা ফেসবুকে যুদ্ধ করতে ভালোবাসি।  যারা মাঠের যুদ্ধ করে সেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন সময় নানাবিধ বাজে মন্তব্য করতেও আমরা দ্বিধাবোধ করি না।

একই ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশের  অলরাউন্ডার ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের সাথেও। সম্প্রতি শেষ হওয়া এশিয়া কাপ খেলতে স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে দুবাই গিয়েছিলেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার।

সেখান থেকে স্ত্রী ও কন্যার সাথে একটি ছবি নিজের ফেসবুক ফ্যান ফেজে শেয়ার করেন সাকিব। এর পরই শুরু হয় ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নোংরা মন্তব্য।আমরা জানি যে গতমাসে পবিত্র হজ পালন করেছেন সাকিব। ইতিমধ্যে দাড়িও রেখেছেন সাকিব।

আর সাকিবের পোস্ট করা ছবিতে স্ত্রীর পোশাক নিয়ে বাজে মন্তব্য করেছেন অনেকে। ওই ছবির মন্তব্যের প্রতি প্রতি দশ জনের সাত জনই সাকিবের স্ত্রীর পোশাক নিয়ে বাজে মন্তব্য করেছেন। বাজে মন্তব্যর পাশাপাশি স্ত্রীকে ইহরাম পড়ানোর মতো উপদেশ দিতেও কম করেননি। বউয়ের পর্দা মানানো না মানানো নিয়ে সাকিবকে অনেকেই জাহান্নামের ভয়ও দেখাতে ভাবলেন না।

নিজেদের শুদ্ধতা- বিশুদ্ধতার কথা থোরায় কেয়ার করেই সাকিব আর স্ত্রীকে শুদ্ধ করবার জন্য ফেসবুকে রীতিমতো যুদ্ধ বাধিয়ে দেন কথিত বিজ্ঞ-মহাজ্ঞানীরা।

একই ঘটনা ঘটেছে, ক’দিন  আগেও যে ক্রিকেটারের অন্যায় আউটের বিরুদ্ধে আমরা ফেসবুক যুদ্ধ বাঁধিয়ে ছিলাম। ক্রিকেট মোড়লদের দিকে উলঙ্গ হয়ে প্রসাব করা থেকে শুরু করে দীর্ঘদিনের মিত্র ভারতের সাথে সর্ম্পক নিয়ে টানাটানি করার যুদ্ধে সরগরম ছিল ফেসবুক। এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতকে নাকানি চুবানি খাওয়ানো সেই লিটন দাসকে নিয়েও। যে সময় আমরা লিটন দাসকে হিরোর আসনে বসিয়ে দিয়ে ছিলাম, সেই আমরাই আবার এশিয়া কাপ যেতে না যেতেই লিটন দাসকে নানাবিধ মন্তব্য করে জর্জরিত  করেছি।

সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্রিকেটার  লিটন দাস তার ফেসবুক ভেরিফাইড পেইজে দুর্গাপূজার আগাম শুভেচ্ছা দিয়ে একটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবিটি পাবলিশ করার পর থেকে তাকে উদ্দেশ্য করে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানো অসংখ্য মেসেজ এবং কমেন্টে তাকে জর্জরিত করা হয়।

এখানেও আমরা নিজেদর মহাপণ্ডিত ভেবে ধর্ম থেকে শুরু করে আইন কানুন পর্যন্ত শিখিয়ে ছাড়ছি। মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগসহ ধর্মীয় আচার নিয়েও প্রশ্ন করেছে ফেসবুক ব্যবহারকারী। এমনকি নাগরিকত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ।

দুদিন আগে খেলার মাঠের যুদ্ধে অবিচার শিকার হয়ে যে লিটন দেশের মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছিল সেই লিটন দাসই আবার ভক্তদের এমন আচরণে ব্যথিত হয়ে পোস্ট করা ছবিটি ফেসবুক থেকে মুছে দিতে বাধ্য হোন।

পরবর্তীতে তিনি কতটা দুঃখপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং তার কাছে কতটা খারাপ লেগেছে ঘটনাটি তা উল্লেখ করে একটি স্ট্যাটাস দেন। তিনি লিখেন - আমার প্রথম পরিচয় আমি একজন বাংলাদেশি, ধর্ম আমাদের পৃথক করতে পারবে না।

সন্তান জন্ম দিয়ে আনন্দে ভাসা তাসকিনের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নোংরা মন্তব্যের শিকার হতে হবে, সেটা কল্পনাতেও ছিল না তার। তাসকিনেরও নেতিবাচক কমেন্টের প্রতিক্রিয়ায় পোস্টের কমেন্টে একজন বাবা হয়ে বিয়ে আর ছেলের জন্মের মধ্যে কতটা সময় গেছে, সেই হিসাব দিতে হলো এই টাইগার বোলারকে। কারণ একটাই তাদের সন্তানের জন্ম 'এত তাড়াতাড়ি' কীভাবে হলো; সেটা নিয়ে বিকৃত মানুষগুলোর 'গবেষণা'র শেষ নেই!

বাংলায় একটা কথা আছে, ‘আপনি আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।’ আমরা নিজেদের জায়গা ভুলে, নিজেদের অবস্থান ভুলে, নিজের উন্নয়নের কথা চিন্তা না করেই অন্যের বিষয় নিয়ে গবেষণায় সময় দিয়ে থাকি। এটা যেন আমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। নিজেদের ধর্মকর্ম ভুলে আমরা সাকিব-লিটনদের ধর্মকর্ম শিখিয়ে দিতে রীতিমতো ফেসবুকে ঝড় তুলি ফেলছি।

আমরা আসলে নিজেদের কে নিজেরা চিনি না, জানি না। আমরা আমাদের আবেগের তাড়নায় মত্ত হয়ে বিবেক বিবর্জিত মানুষের মতো অন্যের বিষয়গুলো নিয়ে দলবেঁধে উঠে পড়ে লেগে যায়।

আমরা নিজেরাও জানি না আমরা কী চাই। যারা তামিম যখন মাঠে খারাপ পারফরমেন্স করে তাকে নিয়ে ট্রল বানিয়ে নিজেদর মূল্যবান সময় ব্যয় করেছেন। সেই তারাই আবার খারাপ হাত নিয়ে মাঠে এক হাতে ব্যাট করাই বাহ বাহ দিয়ে রীতিমতো ফেসবুকের টাইমলাইন ভরে ফেলেছে। অনেকেই আবার নিজের ভূমিষ্ট ছেলেকে ভবিষ্যতে তামিমের মতোই তৈরি করার অভিলাষ ব্যক্ত করেও ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছে।

পায়ের অস্ত্রোপচার নিয়ে দিনের পর দিন যার যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্ব ক্রিকেটে জায়গা করে নিয়েছে, আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা সবার প্রিয় মাশরাফিও কিন্তু ফেসবুক ব্যবহারকারীদের তীর্যক মন্তব্য থেকে রক্ষা পায়নি।জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন এমন খবর চাউর হওয়ার পর তাকে নিয়েও রীতিমতো ফেসবুকে ঝাপিয়ে পড়েছি আমরা।

আমরা নিজের সন্তানদের সাকিব-তাসকিনের মতো বানাতে চাই। অথচ খেলার মাঠে প্রতিপক্ষের সাথে একটু এদিক সেদিক হলেই বাবা-মা তুলেও গালি-গালাজ করতে দ্বিধাবোধ করি না। আর এসব করার ভালো প্লাটফর্ম এখন এই ফেসবুক।

এই ফেসবুক মন্তব্যকারীদের কেউ বাবা হবেন, কেউ মা হবেন। ভবিষ্যতে হয়তো তাদের ছেলে-মেয়েরা এমন বিরূপ পরিস্থিতির শিকার হতে পারেন। ১৬ কোটি মানুষের আবেগকে বুকে ধারণ করে যারা মাঠে লড়াই করেন তাদেরকে আমরা উৎসাহ দিবো, ভালোবাসা দিবো ফেসবুকজুড়ে এমন কিছুই প্রত্যাশা। রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, ‘বাঙালির প্রাণ, বাঙালির মন, বাঙালির ঘরে যত ভাই বোন, এক হউক, এক হউক, এক হউক হে ভগবান।’

আমরা আমাদের মনকে এক করি, আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করি। সাকিব-তাসকিন-লিটন-তামিম আমাদের ভাই। আমরা এক হই। ভালো কাজের ‍উৎসাহ দেয়, দুঃসময়ে পাশে দাঁড়াই।

সবশেষে বলতে চাই, আমি আমার লেখার অনেক বিষয় নিয়েছি ফেসবুক থেকে। আমার এই লেখাও শেয়ার হবে ফেসবুকে। আমি নিজেও আমার টাইমলাইনে এই লেখাটা শেয়ার করবো। সেই হিসেবে আমিও একজন ‘ফেসবুক যোদ্ধা’। কিন্তু আমি কী সাকিব-তাসকিন-লিটন-তামিম-মাশরাফিদের মতো যারা সত্যিকারের মাঠের যোদ্ধা তাদের যোগ্য সম্মান দিতে পারবো?

 

Bootstrap Image Preview