Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ০৭ শুক্রবার, আগষ্ট ২০২০ | ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭ | ঢাকা, ২৫ °সে

আকাশের পর এবার পানিপথে পাকিস্তান থেকে আসলো ৮৭ টন পেঁয়াজ

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর ২০১৯, ০৫:২২ PM
আপডেট: ২২ নভেম্বর ২০১৯, ০৫:২২ PM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত


চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পাকিস্তান থেকে আসলো আরও ৮৭ টন পেঁয়াজ। তিনটি কন্টেইনারে আনা পেঁয়াজগুলো বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ছাড় করা হয়েছে।

সুমদ্রবন্দর দিয়ে পাকিস্তানের করাচি বন্দর থেকে পেঁয়াজগুলো সিঙ্গাপুর বন্দর হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে সময় লেগেছে মাত্র ১৫ দিন। এর আগে পাকিস্তান থেকে বিমানে আসে ৮২ টন পেঁয়াজ।

উল্লেখ্য, পাকিস্তান থেকে যেকোনো পণ্য আমদানিতে বিশেষভাবে তদারকি ও নজরদারির নির্দেশনা রয়েছে কাস্টমসের। এই কারণে পণ্যছাড়ের ক্ষেত্রে বাড়তি সময় লাগে কিন্তু দেশে পেঁয়াজের সংকটের এই সময়ে দ্রুত পণ্য ছাড় করে দিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস।

পণ্য আমদানির সাথে জড়িত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মারকো ইন্টারন্যাশনালের কর্ণধার আকরামুল হক ভূঁইয়া বলেন, পাকিস্তান থেকে পণ্য আমদানিতে ‘কান্ট্রি লক’ করা থাকে। ফলে পণ্য আমদানির পর নোটিং থেকে ছাড়া পেতে তিন-চারদিন সময় লাগে। এরপরও পেঁয়াজ সংকটের সময় পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুত ছাড় দিয়েছে কাস্টমস।

জানা গেছে, পাকিস্তান থেকে তিন কন্টেইনারে ৮৭ টন পেঁয়াজ আমদানি করে ঢাকার প্রতিষ্ঠান ব্রাদার্স ইমপেক্স। ‘টি আর আরামিস’ জাহাজে করে তিন কন্টেইনার পেঁয়াজ পাকিস্তানের করাচি বন্দর থেকে বোঝাই করা হয় গত ৪ নভেম্বর। এরপর জাহাজটি সিঙ্গাপুর বন্দরে পৌঁছে অন্য কন্টেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে রওনা দেয়। চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে গত ১৯ নভেম্বর কন্টেইনারগুলো নামানো হয়।

এরপর আমদানিকারকের নিয়োজিত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মারকো ইন্টারন্যাশনাল পণ্যের নোটিং করে। এরপর কন্টেইনার খুলে কায়িক পরীক্ষা করা হয়, ঘোষণা অনুযায়ী পেঁয়াজ নিশ্চিত হওয়ার পর চালানের শুল্কায়ন করা হয়। আবারও কায়িক পরীক্ষা করে চালানটি ছাড়ের অনুমতি দেওয়া হয়।

কাস্টমসের উপ কমিশনার আল আমিন বলেন, পাকিস্তানের পণ্য কান্ট্রি কোড লক করা থাকে। ঘোষিত পণ্য যাচাই করার পর আমরা আমদানিকারকের আবেদনের প্রেক্ষিতে কোডকে আনলক করে দিই এরপর ছাড়ের অনুমতি দিই। এতসব প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করি যাতে বাজারে দ্রুত পেঁয়াজ পৌঁছে যায়।

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সবচে বেশি পেঁয়াজ এসেছে মিসর থেকে ৪ হাজার ৩৬৯ টন। চীন থেকে এসেছে ১ হাজার ২১৯ টন, মিয়ানমার থেকে এসেছে ১ হাজার ২২৮ টন, তুরস্ক থেকে ২৮৬ টন, পাকিস্তান থেকে এসেছে ২২৫ টন এবং সংযুক্ত আরব-আমিরাত থেকে এসেছে ১১২ টন।

Bootstrap Image Preview