Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৫ রবিবার, ডিসেম্বার ২০১৯ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

১০০ টাকা কেজিতে লবণ বিক্রি, আটক ব্যবসায়ী

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ০৫:০৫ PM
আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ০৫:০৫ PM

bdmorning Image Preview


পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নেত্রকোনার হাওরাঞ্চল খালিয়াজুরীর বিভিন্ন বাজারে হঠাৎ করে লবণের দাম বেড়েছে বলে গুবজ ছড়ানো হচ্ছে।

এতে করে বিভিন্ন লোকজন বেশি করে লবণ কিনতে দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন। এ দিকে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী প্রতি কেজি লবণ ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বেশি দরে লবণ বিক্রির অভিযোগে মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে খালিয়াজুরী উপজেলা সদরের পুরানহাটি এলাকার ব্যবসায়ী মো. হায়দার চৌধুরীকে আটক করেছে পুলিশ।

আটক হওয়া হায়দার চৌধুরীর বাড়ি পার্শ্ববর্তী সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার আটগাঁও গ্রামের মৃত সিদ্দিকুর রহমান চৌধুরীর ছেলে। তিনি খালিয়াজুরী থেকে ব্যবসা পরিচালনা করেন।

পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার বিকাল থেকে খালিয়াজুরীর বিভিন্ন এলাকায় গুজব ওঠে লবণের দাম কেজি প্রতি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেড়ে গেছে। এতে করে অনেকেই লবণ কিনতে দোকানে ভিড় জমান।

খালিয়াজুরীর পুরানহাটি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুর রহমান বলেন, পেঁয়াজের মতো লবণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার খবর পেয়ে আমি ১০ কেজি লবণ ৪০ টাকা দরে কিনে সংগ্রহ করেছি।

পাঁচহাট গ্রামের গৃহিণী সাবিনা আক্তার জানান, লবণের দাম বাড়ার খবর পেয়ে স্থানীয় দোকান থেকে দুই কেজি প্যাকেটজাত লবণ ১৫০ টাকা দিয়ে সংগ্রহ করেছেন।

খালিয়াজুরী উপজেলার বাজার বনিক সমিতির সভাপতি মো. কামরুল হাসান মুসা বলেন, লবণের দাম আগের মতোই আছে। কোনো দাম বাড়েনি। এটি একটি নিছক গুজব ছড়ানো হচ্ছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আশায় হয়তো বেশি দামে লবণ বিক্রি করে থাকতে পারেন।

খালিয়াজুরী থানার ওসি এটিএম মাহমুদুল হক বলেন, ব্যবসায়ী হায়দার বাজারের একটি পাইকারি দোকান থেকে ২০ বস্তা লবণ কিনে তিনি তার দোকানে এনে বেশি দামে লবণ বিক্রি করছিলেন একই সঙ্গে তিনি লবণের দাম বৃদ্ধির গুজব ছড়াচ্ছিলেন। তাই পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এইচ এম আরিফুল ইসলাম বলেন, একটি অসাধু চক্র উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় লবণের দাম বৃদ্ধির গুজব ছড়াচ্ছে। এই সুযোগে বিভিন্ন ইউনিয়নের হাট-বাজারে কিছু ব্যবসায়ী বেশি দামে লবণ বিক্রি করছেন বলে শুনেছি। আমি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন লোকজনকে গুজবে কান না দিয়ে এই বিষয়ে সতর্কতা বৃদ্ধির জন্য বলা হয়েছে।

Bootstrap Image Preview