Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৭ রবিবার, নভেম্বার ২০১৯ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

স্পিডবোটে সন্তানের সামনেই মাকে ‘গণধর্ষণ’

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৮:১০ PM
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৮:১০ PM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত ছবি


শিশু সন্তানের সামনেই এক গৃহবধূকে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় দায়ের করা মামলায় ছাত্রলীগ নেতাসহ ছয় যুবককে আসামি করা হয়েছে। 

ভোলার মনপুরা উপজেলায় এ ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চর পিয়াল থেকে সন্তানসহ ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা এলাকার বাসিন্দা। তার দুই সন্তান রয়েছে।

আসামিরা হলো, দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম (৩০), দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রামের বেলাল পাটোয়ারী (৩৫), মো. রাসেদ পালোয়ান (২৫), শাহীন খান (২২), কিরণ (২৬) ও রিয়াজ (২৭)।

মামলার বরাত দিয়ে মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টায় চরফ্যাশন উপজেলায় বাবার বাড়ি থেকে মনপুরায় শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন ওই গৃহবধূ।

আড়াই বছরের শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বেতুয়া লঞ্চঘাট হয়ে স্পিডবোটে করে যাচ্ছিলেন তিনি। এ সময় স্পিডবোটে থাকা যাত্রী বেলাল, রাসেদ, শাহীন, কিরণ, রিয়াজ জোরপূর্বক বোটটিকে পাশের চর পিয়ালে নিয়ে শিশু সন্তানের সামনেই তাকে গণধর্ষণ করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

মামলায় আরো বলা হয়, পরে স্পিডবোটের মালিক দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম (৩০) আরেকটি স্পিডবোট নিয়ে চর পিয়াল গিয়ে ওই গৃহবধূকে আবারও ধর্ষণ করে। নজরুল ধর্ষণের ভিডিও ধারণও করে এবং বিষয়টি নিয়ে কথা বললে ভিডিওটি ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেয়।

ওসি সাখাওয়াত বলেন, খবর পেয়ে গতকাল রাত সাড়ে ৮টায় চর পিয়াল থেকে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে মনপুরা থানায় নিয়ে আসি। ওই সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মনপুরা থানায় ছয়জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী নিজেই এ মামলা করেন। গতকাল রাত থেকেই আমরা আসামিদের ধরার জন্য অভিযান শুরু করেছি। যে কোনোভাবেই হোক তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।

সাকুচিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান অলি উল্লাহ কাজল জানান, চরে থাকা মহিষের বাথানিয়ারা ঘটনাটি তাকে জানান। পরে তিনি মনপুরা থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেনকে জানান।

ধর্ষণ মামলার আসামি নজরুল ২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিন বছর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলো।

Bootstrap Image Preview