Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৬ শনিবার, নভেম্বার ২০১৯ | ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

বৃহস্পতিবার আজারবাইজান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:৪৩ AM
আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:৪৩ AM

bdmorning Image Preview


জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) ১৮তম সম্মেলনে যোগ দিতে চার দিনের সরকারি সফরে বৃহস্পতিবার আজারবাইজান রাজধানী বাকুর উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২৫-২৬ অক্টোবর বাকু কংগ্রেস সেন্টারে ১২০ উন্নয়নশীল দেশের সংগঠন ন্যামের দুই দিনব্যাপী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবে।

ফ্লাইটটির একই দিন স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে বাকু হায়দার আলিয়েভ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা শেষে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রীকে হিলটন বাকুতে নিয়ে যাওয়া হবে।

শুক্রবার সকালে শেখ হাসিনা বাকু কংগ্রেস সেন্টারে ১৮তম ন্যাম সম্মেলনের স্বাগত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ন্যামের অন্য নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠানস্থলের প্লেনারি হলে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। পরে সেন্টারের ভোজ হলে প্রতিনিধিদলের প্রধানদের জন্য আয়োজিত আলোচনা ও মধ্যাহ্নভোজ এবং প্লেনারি সেশনে অংশগ্রহণ করবেন।

এছাড়া সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হায়দার আলিয়েভ সেন্টারে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ আয়োজিত আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনায় যোগ দেবেন। শনিবার তিনি প্লেনারি সেশন, প্রতিনিধিদলের প্রধানদের জন্য আয়োজিত আলোচনা ও মধ্যাহ্নভোজ এবং সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

আজারবাইজানে দায়িত্ব পালনকারী তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের আয়োজনে হিলটন বাকুতে নৈশভোজেও যোগ দেবেন শেখ হাসিনা।

ন্যাম সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী কয়েকজন রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানের সাথে বৈঠক করতে পারেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।

চার দিনের আজারবাইজান সফর শেষ করে শেখ হাসিনা রোববার স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে বাকু হায়দার আলিয়েভ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন।

ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়া ও আফ্রিকা, এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও অন্যান্য অঞ্চলের মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রামকালে এবং স্নায়ুযুদ্ধের চরম সময়ে ন্যাম প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সংস্থার কার্যক্রম ঔপনিবেশিকতা দূর করে অনেক দেশ ও মানুষের মুক্তি ও স্বাধীনতা অর্জন এবং কতগুলো নতুন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় মূল কারণ হিসেবে কাজ করে।

ন্যাম তার ইতিহাস জুড়ে বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করেছে। এ সংস্থার ১২০ সদস্য রাষ্ট্র, ১৭ পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র ও ১০ পর্যবেক্ষক সংস্থা রয়েছে। এর প্রথম সম্মেলন ১৯৬১ সালে সাবেক যুগোস্লাভিয়ার বেলগ্রেডে অনুষ্ঠিত হয়।

Bootstrap Image Preview