Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২২ শুক্রবার, নভেম্বার ২০১৯ | ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

যেভাবে এলো জুমাবার

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ০৪:১২ PM
আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ০৪:১২ PM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত ছবি


প্রথম হিজরি সন। মহানবী (সা.) মক্কা ছেড়ে মদিনা গেলেন। নবী (সা.) এর মদিনায় পৌঁছার দিনটি ছিল ইয়াওমুল আরুবা (শুক্রবার)। সেদিন তিনি বনি সালেম গোত্রের উপত্যকায় গেলে জোহর নামাজের সময় হয়ে যায়। তখন সেখানে তিনি জোহরের নামাজের পরিবর্তে জুমার নামাজ আদায় করেন। যা ইসলামের ইতিহাসে প্রথম জুমার নামাজ।  

কিন্তু জুমার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় আরও অনেক পরে। রাসুলুল্লাহ (সা.) এর মদিনায় যাওয়ার পর ও জুমার নামাজ ফরজ হওয়ার আগে একবার মদিনায় আনসার সাহাবিরা আলোচনায় বসে এবং বলেন, ইহুদিদের জন্য সপ্তাহে একটি দিন নির্দিষ্ট রয়েছে। যে দিনটিতে সবাই একত্রিত হয়। খ্রিষ্টানরাও সপ্তাহে একদিন একত্রিত হয়। 

তখন সাহাবিরা ভাবতে থাকেন, আমাদেরও সপ্তাহে একটি দিন নির্দিষ্ট হওয়া প্রয়োজন। যে দিনটিতে আমরা সবাই একত্রিত হয়ে মহান আল্লাহকে স্মরণ করবো। নামাজ আদায় করবো।

আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত এলো- শনিবার যেহেতু ইহুদিদের আর রবিবার নাসারাদের জন্য নির্ধারিত তাই ইয়াওমুল আরওবা অর্থাৎ শুক্রবারকে সপ্তাহের সেই একটি বিশেষ তথা শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে বাছাই করা যায়। যে দিনটিকে ‘জুমার দিন’ হিসেবে নামকরণ করা হলো। (সিরাতুল মুস্তাফা ও দারসে তিরমিজি)

পবিত্র কোরানে জুমার দিন: স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামিনও জুমার দিন ও জুমার নামাজের গুরুত্ব কোরানে তুলে ধরেছেন। পবিত্র কোরানে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের আজান দেয়া হয় তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ছুটে যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ করো। এটা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বোঝ।

অতঃপর নামাজ শেষ হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ করো ও আল্লাহকে অধিক পরিমানে স্মরণ করো- যেন তোমরা সফলকাম হও। (সুরা জুমা : আয়াত ৯-১০)

হাদিসে জুমাবার: আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অজু করলো, অতঃপর জুমার নামাজ পড়তে এলো এবং মনোযোগ দিয়ে নীরব থেকে খুতবাহ শুনলো সেই ব্যক্তির এই জুমা ও আগামী জুমার মধ্যকার এমনকি অতিরিক্ত আরও তিনদিনের ছোটখাটো পাপগুলো মাফ করে দেয়া হবে। (মুসলিম, হাদিস নং: ৮৫৭)
 

 

Bootstrap Image Preview