Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২২ রবিবার, সেপ্টেম্বার ২০১৯ | ৬ আশ্বিন ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে অবদানের’ জন্য সম্মাননা পেলেন মন্ত্রী

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট ২০১৯, ০৯:৩৭ PM
আপডেট: ২৩ আগস্ট ২০১৯, ০৯:৩৭ PM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত


‘রোগ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকার’ জন্য সম্মাননা পেলো স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। শুক্রবার এফডিসিতে ‌‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’ তার হাতে এ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। ‘শুধু সরকারি প্রচেষ্টা নয়, জনসচেতনতাই পারে ডেঙ্গু প্রতিরোধ’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি ছিলেন মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি আগের তুলনায় ভালো বলে দাবি করেন তাজুল ইসলাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, এই রোগ মোকাবেলায় উন্নত দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের ‘সক্ষমতা বেশি’।

তিনি বলেন, মালেরিয়ায় পৃথিবীতে হাজার হাজার, কোটি কোটি মানুষ মারা গেছে। কলেরা নিয়েও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ধারণা ছিল না। ২০০০ সালে প্রথম আমাদের দেশে ডেঙ্গু ধরা পড়ার পর ডাক্তাররা নির্ণয় করতে পারছিলেন না। ফলে তখন সামান্য সংখ্যক লোক আক্রান্ত হওয়ার পরও ডেঙ্গুতে মৃত্যুর হার ছিল বেশি। সেই তুলনায় এখন মৃত্যুর হার কমে গেছে। কারণ চিকিৎসকরা জ্ঞান অর্জন করেছেন।

বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশের ‘ডেঙ্গু মোকাবেলার সক্ষমতা বেশি’ দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের একজন প্রতিনিধি আমাকে বলেছেন, ডেঙ্গু রোগ মোকাবেলার সক্ষমতায় উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এগিয়ে আছে। এর কারণ হিসেবে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে উল্লেখ করেছেন তিনি।

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আর্থিকভাবে অসচ্ছল কোনো পরিবারের সদস্য ডেঙ্গুতে মারা গেলে আমাদের মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আর্থিকভাবে সহায়তা করা হবে।

অনুষ্ঠানের শেষে ‘ডেঙ্গু মোকাবেলায় সর্বাত্মক চেষ্টার জন্য’ তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন বিতর্কের আয়োজক প্রতিষ্ঠান ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

কিরণ বলেন, ডেঙ্গু মোকাবেলায় তিনি (মন্ত্রী) সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। মেয়র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নিয়ে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই। কিন্তু এলজিআরডি মন্ত্রী ডেঙ্গু মোকাবেলায় সর্বাত্মক চেষ্টা ও প্রশাসনিকভাবে সহযোগিতা করেছেন।

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগ বাংলাদেশে প্রথম দেখা দেয় ২০০০ সালে। এর পর থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত যেখানে ৫০ হাজার ১৪৮ জন মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হন, সেখানে এ বছর এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা এরইমধ্যে ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে।

Bootstrap Image Preview