Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২২ বৃহস্পতিবার, আগষ্ট ২০১৯ | ৭ ভাদ্র ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

‘দুইদিন শরীরে ব্যথা ছিল, দুইবার ডেঙ্গু টেস্ট করিয়েছি’

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭ আগস্ট ২০১৯, ১০:৪৪ PM
আপডেট: ০৭ আগস্ট ২০১৯, ১০:৪৪ PM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত


ডেঙ্গু ইস্যু নিয়ে আজকে প্রতিটি মানুষ এফেক্টটেড বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘যারা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে সেও ভয়ে আছেন, আর যার হয়নি সেও দৌঁড়াচ্ছেন। দুইদিন ধরে শরীরে ব্যথা ছিল, আমি দুই বার টেস্ট করিয়েছি। এই বয়সে যদি ডেঙ্গু হয় তাহলে ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।’

আজ বুধবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় এ মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘মিডিয়ার কারণে ডেঙ্গু সমস্যা নিয়ে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে- এই বিষয়ে জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, ‘বাস্তব সত্য যেটা সেটাকে স্বীকার করতে ওরা সাহস পান না। এখানে মিডিয়া ছিল বলে তো ডেঙ্গুটা সামনে এসেছে। নাহলে ডেঙ্গুটা চেপে যেত।’

ডেঙ্গু নিয়ে ফটোসেশন হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের সাহেব নিজেই ঝাড়ু দিলেন। আবার উনি বলছেন, ফটোসেশন করা চলবে না। ইট ইজ ভেরি ইন্টারেস্টিং।’ ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানে সরকারের নিজের ব্যর্থতা ঢাকার অপচেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

হেফাজতে নির্যাতন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ‘সত্যের অপলাপ’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘এটা তো আমার কাছে পরিষ্কার যে, এখানে প্রধানমন্ত্রী সত্য কথা বলেননি। পত্র-পত্রিকা ও মানবাধিকারের বিভিন্ন গ্রুপের রিপোর্ট পেয়েছি। এমনকি অ্যামিনেস্টি ইন্টান্যাশনাল, হিউম্যান রাইট ওয়াচের রিপোর্টে দেখেছি প্রতি বছরে এখানে জুডিশিয়াল কাস্টিডিওতে মৃত্যু হয়েছে ৪০০ থেকে ৭০০। গতবছর বিশেষ করে ৪০০ উপরে তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধের নামে জুডিশিয়াল কাস্টিডিও হত্যা হয়েছে। আর হেফাজতে যে টর্চার-এটা তো কমন ব্যাপার।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘এর আগেও ফ্যানের সিলিংয়ের সাথে ঝুলিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের অনেক নেতা-কর্মী আছেন যাদের পায়ে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করা হয়েছে। এটা ছবিতে চলে এসেছে। সুতরাং উনি (প্রধানমন্ত্রী) অবলীলায় অস্বীকার করলেন- এটা (হেফাজতে মৃত্যু) হয় না। আমরা মনে হয় এটা সঠিক নয় তো বটেই, এটা সত্যের অপলাপ ছাড়া আর কিছুই না।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘প্রকৃত চিত্র- নির্যাতন সরকারিভাবেই চলছে। সরকার বিরুদ্ধ মত ও যারা ভিন্নমত পোষণ করে তাদের ওপরে অত্যাচার-নির্যাতন আরও বেশি করে চালিয়েছে। আলোকচিত্রী শহিদুল আলম তাকে গ্রেপ্তার করে অত্যাচার করা হয়েছে।’

Bootstrap Image Preview