Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৭ বুধবার, জুলাই ২০১৯ | ২ শ্রাবণ ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

সুনামগঞ্জে অর্ধশতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থীশুন্য

সিলেট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০১৯, ০৮:২০ PM
আপডেট: ১১ জুলাই ২০১৯, ০৮:২০ PM

bdmorning Image Preview


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের ছয় দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করায় শিক্ষার্থীশুন্য হয়ে পড়েছে অর্ধ শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

তাহিরপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসের দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় পর্যন্ত উপজেলার ৩০টি বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ ও আঙ্গিনায় ঢলের পানি প্রবেশ করায় শিক্ষার্থীশুন্য হয়ে পড়ে ওইসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

তাহিরপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার মো. আবু সাঈদ জানান, টানা ছয়দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানি বিদ্যালযের শ্রেণীকক্ষে, আঙ্গিনায় ও বিদ্যালয়ে যাতায়াতমুখী সড়কে ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় বৃহস্পতিবার উপজেলার কমপক্ষে ৩০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোন শিক্ষার্থী আসতেই পারেনি।

তিনি বলেন, বুধবার ১৭টি বিদ্যালয়ে ঢলের পানি প্রবেশের তথ্য থাকলেও বৃহস্পতিবার ভোর থেকে এ সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার ইসলামপুর, পাতারগাঁও, সোহালা, গড়কাটি, পাঠানপাড়া,পুরানলাউড় পশ্চিম, হলহলিয়া, বিরেন্দ্রনগর, কলাগাঁও, সোনাপুর কামনাপাড়া, রঙ্গারছড়া, রজনীলাইন, বড়ছড়া, লালঘাট, লাকমা, দুর্লভপুর, কামারকান্দি, কাউকান্দি, মাহারাম, নোয়ানগর,পিরোজপুর, রাফিনগর, সোনাপুর ০১নং, বালিজুরী নয়াহাট, সাদেরখলা, মন্দিয়াতা, পৈলনপুর, মাটিয়াইন, সুলেমানপুর, নালেরবন্দ, সাহেবনগর, জামালগড়. রতনশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে ও আঙ্গিনায় ঢলের পানি প্রবেশ করেছে।

এছাড়াও ঢলের পানি বসতবাড়িতে প্রবেশ করায় উপজেলার সুলেমানপুর, রতনশ্রী সহ বেশ কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গ্রামের লোকজন আশ্রয় নিয়েছেন।

তাহিরপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার মো. আবু সাঈদ আরো জানান, পাহাড়ি ঢলের কারনে যেসব বিদ্যালয় শিক্ষার্থী শুন্য হয়ে পড়েছে সেসব বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সহ দায়িত্বশীল সব দফতরকে অবহিত করা হয়েছে। যেভাবে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল ধেয়ে আসছে তাতে জীবনের ঝুকি নিয়ে কোন শিক্ষার্থী বা শিক্ষক বিদ্যালয়ে যাতায়াত করাটা প্রায় অসম্ভব এমনকি শিক্ষার্থী শুন্য বিদ্যালয়ের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।

প্রসঙ্গত, উপজেলার সাত ইউনিয়নে ১৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৩৮ হাজার শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে আসছে।

Bootstrap Image Preview