Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৯ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বার ২০১৯ | ৪ আশ্বিন ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছ মুরগীর দাম, বেড়েছে ডিম ও পেঁয়াজের

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫ জুলাই ২০১৯, ০১:০৮ PM
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০১৯, ০১:০৮ PM

bdmorning Image Preview


রাজধানীর বাজারগুলোতে সপ্তাহের ব্যবধানে হঠাৎ বেড়েছে ডিম ও পেঁয়াজের দাম। খুচরা বাজারে প্রতি ডজন ডিমের দাম বেড়েছে পাঁচ টাকা। একই সঙ্গে পেঁয়াজের দামও কেজিতে বেড়েছে পাঁচ থেকে আট টাকা। টমেটো, গাজর কেজি ১০০ টাকা ছুঁয়েছে। এছাড়া অন্যান্য শাক-সবজির দাম হাতের নাগালে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, শান্তিনগর, সেগুনবাগিচা, রামপুরা, মালিবাগ হাজীপাড়া, খিলগাঁও অঞ্চলের বিভিন্ন বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে বয়লার মুরগির দাম। ডিম ও পেঁয়াজের দাম বাড়লেও কমেছে মুরগির মাংসের দাম। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে কমেছে পাঁচ থেকে ১০ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে সবধরনের মুদিপণ্য, সবজি, মাছ, গরু ও খাসির মাংসের দাম।

বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, এখন সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে টমেটো। বাজার ভেদে পাঁকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০ থেকে ৯০ টাকা।

১০০ টাকা কেজি ছোঁয়া অন্য দুই সবজির মধ্যে গাজর বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। একই দামে বিক্রি হচ্ছে শসা। গত সপ্তাহে গাজর ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয়।

বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ঢেঁড়সের কেজি ৪০ টাকা, পটল ৩০ টাকা, ঝিঙ্গা ৪০ টাকা, পেঁপের দাম ৪০ টাকা। বরবটির ৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া করলা, কাঁকরোল, উস্তা, বেগুন, গাজর, বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে। বেগুনের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতিকেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। শাকের মধ্যে লাল, কলমি, ডাটা, পাট, মুলা শাক প্রতি আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়। আর পুঁই শাক, লাউ শাক বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা আঁটি।

অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম। গরুর মাংস বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫২৫ থেকে ৫৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি।

কয়েক মাস ধরে চড়া দামে বিক্রি হওয়া মাছের দাম এখনও বেশ চড়া। তেলাপিয়া আগের মতো বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি, পাঙাশ ১৫০ থেকে ১৮০, রুই ২৮০ থেকে ৬০০, পাবদা ৬০০ থেকে ৭০০, টেংরা ৫০০ থেকে ৮০০, শিং ৫০০ থেকে ৬০০, চিতল মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি।

আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে চাল ও অন্যান্য মুদিপণ্যের দাম। বাজারে প্রতিকেজি নাজির ৫৮ থেকে ৬০ টাকা। মিনিকেট চাল ৫৫ থেকে ৫২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। স্বর্ণা ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, বিআর ২৮ নম্বর ৩৮ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এছাড়া খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে ২৬ টাকা, প্যাকেট ৩২ টাকা, লবণ ৩০ থেকে ৩৫, পোলাউ চাল ৯০ থেকে ৯৫। প্রতিকেজি খোলা আটা ২৭ টাকা, প্যাকেট ৩২ টাকা, খোলা ময়দা ২৮ টাকা, প্যাকেট ৩২ টাকা। প্রতিকেজি চিনি ৫২ টাকা, ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা, খেসারি ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, মসুর ডাল ১০০ থেকে ১১০ টাকা, বুট ৩৮ থেকে ৪০ টাকা।

Bootstrap Image Preview