Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৩ শুক্রবার, আগষ্ট ২০১৯ | ৮ ভাদ্র ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

সাতক্ষীরায় তিন টন নতুন সরকারি বইসহ ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী আটক

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২ জুন ২০১৯, ০২:৫১ PM
আপডেট: ১২ জুন ২০১৯, ০২:৫১ PM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত ছবি


সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের মৌতলা বাজারে সাড়ে তিন টন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সরকারি নতুন বই বিক্রি করার সময় নুরুজ্জামানের নামের এক ভাঙাড়ি ব্যবসায়ীকে আটক করেছে স্থানীয়র জনতা। 

মঙ্গলবার (১১ জুন) রাত ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ওই সময় তাকে স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে।

প্রতক্ষদর্শী রুহুল আমিন, শেখ লাভলু ও ফয়সাল হোসেন বিদ্যুৎসহ আরো বেশ কয়েক জন বলেন, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শ্যামনগর উপজেলার ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান মৌতলা বাসস্টান্ডে অবস্থিত বিশ্বজিতের ভাঙাড়ি দোকানে প্রায় সাড়ে তিন টনের মতো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণির ২০১৯ ও ২০১৬ সালের বই বিক্রি করতে আসেন। ওই বই দেখে স্থানীয় অনেকের সন্দেহ হলে ভ্যান ও বইসহ ব্যবসায়ীকে আটক করে।

পরবর্তীতে মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সরকারি বই কোথায় পেয়েছে জানতে চাইলে ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান বলেন, শ্যামনগর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে কিনেছেন। সংবাদ পেয়ে শ্যামনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

এ বিষয়ে জানতে মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান বই বিক্রি করার সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে। ওই ব্যবসায়ীর কাছে জানতে চাইলে সে জানায় বইগুলো শ্যামনগর উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তার কাছ থেকে কিনেছেন। তবে বুধবার সকাল ১১টার দিকে শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউল হক দোলন মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদে এসে বইগুলো পরিদর্শন করে গেছেন। ওই বান্ডেলের ভিতরে ২০১৪ সাল থেকে-২০১৯ সালের বই আছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

শ্যামনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আকরাম হোসেন বলেন, নিয়ম অনুযায়ী সরকারি পুরাতন বই বিক্রি করা হয়েছে। কিন্তু ওই সময় ব্যবসায়ী নুরুজ্জামানের কাছে কাগজ-পত্র না থাকার কারণে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের হেফাজতে রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে কাগজপত্র দেখিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বইগুলো নিয়ে গেছে। 

তিনি আরও বলেন, তিন পিস ৬ষ্ঠ শ্রেণির ২০১৯ সালের বই ভুলে চলে গিয়েছিল।

এ বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুজ্জামান বলেন, গত কয়েক দিন আগের একটি সভায় ২০১৫ সালের আগের পুরাতন বই বিক্রির বিষয় উপস্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু ২০১৯ সালের বই বিক্রি করেছে এ বিষয় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বুঝবেন সেটা তার ব্যাপার।

এ বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের চেয়রম্যান শেখ আতাউল হক দোলন জানান, তিনি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে বইগুলো পরিদর্শন করেছেন। ২০১৬-২০১৯ সাল পর্যন্ত বই উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিক্রি করেছেন।

Bootstrap Image Preview