Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৮ বুধবার, সেপ্টেম্বার ২০১৯ | ৩ আশ্বিন ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

শৈশবে যৌন নির্যাতন ও কৈশোরে ধর্ষণের শিকার এই বিশ্বসুন্দরী

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২ মে ২০১৯, ০২:৩৫ PM
আপডেট: ২২ মে ২০১৯, ০২:৩৫ PM

bdmorning Image Preview


নিজের ইনস্টাগ্রামে অবাক করা তথ্য দিলেন মিস ইউএসএ ২০১৫ অলিভিয়া জর্ডান। তিনি জানিয়েছেন, শিশু বয়সে যৌন নিপীড়নের শিকার হন। কৈশোরে ধর্ষিত হয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি আমেরিকার আলাবামা গর্ভনিরোধক আইন পাস হওয়ার পর এ ব্যপারে মুখ খুলেছেন অলিভিয়া জর্ডান।

অলিভিয়া জর্ডান বলেছেন, এই আইন তার জন্যে এবং তার মতো পরিস্থিতির শিকার হওয়া মেয়েদের ওপর রীতিমতো নতুন আঘাত হয়ে এসেছে। তিনি বলেন, আমি নতুন নীতিমালা সূক্ষ্মভাবে দেখেছি। এটা নারীদেহের ওপর সরাসরি আঘাত। এখানে আমার সম্মতি ছাড়াই আমাদের দেহের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। বহু বছর আগে যে কারণে আমার দেহ ও মন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, সেই ট্রমা থেকে আমি এখনো বেরিয়ে আসতে পারিনি। অপরাধের বিচারে ধর্ষণ করা এবং গর্ভপাত একই তালিকায় পড়তে পারে। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে, এই আইনও একই ধরনের।

তিনি আরো বলেন, যে মানুষগুলো গর্ভনিরোধী বার্তা দিতে চাইতেন তাদের রীতিমতো ভয় পেতাম আমি। অতীতের এ ধরনের অভিজ্ঞতাই আমাদের মানসিকতা তৈরি করে দিয়েছে। গর্ভনিরোধী বার্তা আসলেই আমি ক্ষুব্ধ হয়ে পড়তাম। ওই সময়টাতে আমার যেমন লেগেছিল তা ভেবে আমি এখনো আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ি। 

আমি জানতে চাই গর্ভপাত কেন আপনার কাছে ভীতিকর? একটি ক্যাথলিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি। যৌন সংক্রান্ত শিক্ষা অর্জনে আমাদের নিরুৎসাহিক করা হয়। আমি গর্ভপাতের প্রক্রিয়াটি দেখেছি। এ বিষয়ে আমি গবেষণা করেছি, যোগ করেন বিশ্বসুন্দরী। 

তবে অলিভিয়া তার এই মতামত ও বিশ্বাস অন্যের ওপর চাপাতে চান না। তবে তার আশা, যারা গর্ভপাত নিরোধ আইনের বিপক্ষে তারাও একই চিন্তা করবেন। বলেন, আমি কখনোই গর্ভপাতের পক্ষে কোনো নারীর ওপর আমার মতামত চাপাতে চাইবো না। আপনি একটু ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করে নিজের সিদ্ধান্ত বুঝতে পারবেন। কোনো নারী যদি অনিচ্ছায় বা নির্যাতনের শিকার হয়ে গর্ভবর্তী হয়ে পড়েন এবং তাকে সেই সন্তান ধারণে বাধ্য করা হয়, তবে ওই নারীর জন্যে বিষয়টি কেমন হয়?

অলিভিয়া চান না এমন অসহনীয় পরিস্থিতিতে অন্য কোনো নারী পড়ুক যাতে তিনি পড়েছেন। তিনি নারীদের এই আইন নিয়ে নিজেদের মতামত ব্যক্ত করার অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু তার অনুরোধ, কেউ যেন আইনের সমর্থনে সোচ্চার না হয়। 

যখন নারীরা নিজেদের অনুমতি ব্যতিরেকে পুরুষদেরই নারীদেহ নিয়ে আইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত দেয়, তখন আমি নিজেই বার বার মানসিক আঘাতের শিকার হই, বলেন অলিভিয়া। 

Bootstrap Image Preview