Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৩ শুক্রবার, আগষ্ট ২০১৯ | ৮ ভাদ্র ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

হরিণের সঙ্গে এ কেমন বর্বরতা!

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ মে ২০১৯, ০৭:৩২ PM
আপডেট: ২১ মে ২০১৯, ০৭:৩২ PM

bdmorning Image Preview


দুটি হরিণ জুটি বেঁধে লোকালয়ে এসেই পড়ে বিপদে। হরিণ দুটিকে ধরার জন্য স্থানীয় লোকজন মরিয়া হয়ে ওঠে। দল বেধে ধাওয়া করতে থাকে হরিণ দুটিকে। ধাওয়া খেয়ে একটি হরিণ বনে পালিয়ে যায় আর অপরটি লোকজনের হাতে ধরা পড়ে। খবর পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় হরিণটিকে উদ্ধার করে বন বিভাগ। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। অবমুক্ত করার আগেই হরিণটি মারা যায়।

মঙ্গলবার (২১ মে) পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের দারভাঙা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বেশ কয়েকজন জানান, মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ওই ইউনিয়নের দারভাঙা গ্রামের লোকজন লোকালয়ে দুটি চিত্রা হরিণ দেখতে পায়। এরপরই তারা হরিণ দুটিকে ধরতে অতিউৎসাহী হয়ে ওঠে। এক পর্যায় বেশকিছু লোকজন হরিণ দুটিকে ধাওয়া করলে একটি পার্শ্ববর্তী নয়ারচর বনে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। অপরটি অনেক ধস্তাধস্তির পর লোকজনের হাতে ধরা পড়ে। পরে তারা রশি দিয়ে হরিণটিকে গাছের সঙ্গে বেঁধে উল্লাস করে।

বিষয়টি জানাজানি হলে সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে এসে বন বিভাগের সদস্যরা হরিণটিকে অহতাবস্থায় উদ্ধার করে। পরে অবমুক্ত করার জন্য পা বেঁধে ট্রলারযোগে সোনারচর অভয়ারণ্যে নেয়ার পথে ওই হরিণটি মারা যায়।

এলাকাবাসীর ধারণা, চরকুকরি-মুকরি কিংবা সোনারচর অভয়ারণ্য থেকে হরিণ দুটি লোকালয়ে আসতে পারে।

বন বিভাগের সোনারচর ক্যাম্পের বিট কর্মকর্তা প্রণব কুমার মিত্র বলেন, আমরা শুনছি দুটি হরিণ লোকলয়ে চলে আসে। লোকজন ধাওয়া করলে নয়ারচর বনে একটি পালিয়ে যায়। আর আরেকটি ধাওয়া খেয়ে লোকজনের হাতে ধরা পড়ে। ধাওয়ার কারণে হরিণটি অসুস্থ হয়ে হিট-স্ট্রোক করে মারা যেতে পারে।

এ ব্যাপারে বন বিভাগের চরমোন্তাজ রেঞ্জ কর্মকর্তা অমিতাভ বসু বলেন, ধারণা করা হচ্ছে পানি বেড়ে যাওয়ায় স্রোতে ভেসে হরিণটি লোকালয়ে চলে আসে। এখন আমরা মারা যাওয়া হরিণটিকে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার মাধ্যমে ময়নাতদন্ত করাবো। পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ কো হবে।

Bootstrap Image Preview