Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৯ শুক্রবার, জুলাই ২০১৯ | ৩ শ্রাবণ ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

বিয়ের দাবিতে পুলিশ সদস্যের বাড়িতে প্রেমিকা

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ এপ্রিল ২০১৯, ১২:০৩ PM
আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০১৯, ১২:০৩ PM

bdmorning Image Preview
প্রতীকী ছবি


পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল সাহেব আলী ঘরামীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ধর্ষণে সহায়তার অপরাধে সাহেব আলীর বড় বোন বিলাসী বেগমকেও মামলার আসামি করা হয়েছে। 

গত মঙ্গলবার রাতে মঠবাড়িয়া থানায় এ মামলা করেন। পুলিশ বুধবার বিলাসী বেগমকে গ্রেফতার করে।

অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল সাহেব আলী পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বয়াতীর হাট গ্রামের খালেক ঘরামীর ছেলে। বর্তমানে সে ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় কর্মরত।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুরের একটি কলেজের অনার্স পড়ুয়া ওই ছাত্রীর সঙ্গে এক বছর আগে পরিচয় হয় কনস্টেবল সাহেব আলীর। এরপর থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্প্রতি সাহেব আলী ছুটিতে মঠবাড়িয়ায় এসে ফুসলিয়ে পৌর শহরে তার বড় বোনের বাসায় নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে।

এরপর ওই ছাত্রী কয়েকদিন ধরে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সাহেব আলী এতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে ওই ছাত্রী সাহেব আলীর বাড়িতে অবস্থান নিলে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের এসআই হেমায়েত হোসেন খান সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। মঙ্গলবার মেয়েটি ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এসআই হেমায়েত হোসেন খান মুঠোফোনে জানান, পরিস্থিতি ঘোলাটে হতে পারে এমন মনে করে ওই ছাত্রীকে সেখান থেকে উদ্ধার করে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল।

মঠবাড়িয়া থানার ওসি সৈয়দ আব্দুল্লাহ বলেন, মামলার এক আসামি বিলাসী বেগমকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার পিরোজপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে ওই কলেজছাত্রীর মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে।

Bootstrap Image Preview