Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৭ বুধবার, জুলাই ২০১৯ | ২ শ্রাবণ ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

সংসদ নির্বাচনে আ’লীগের ব্যয় ১ কোটি ৫ লাখ টাকা

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০:০৯ AM
আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০:০৯ AM

bdmorning Image Preview
প্রতিকী ছবি


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ব্যয় হয়েছে এক কোটি ৫ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। পক্ষান্তরে আয় হয়েছে এক কোটি ২৬ লাখ টাকা।

সোমবার (২২ এপ্রিল) প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার কাছে দলের নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম।

ইসি সূত্র জানিয়েছে, গত তিন জাতীয় নির্বাচনের মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ব্যয় কমেছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলটির ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৫ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২ কোটি ৫৩ লাখ ৯২ হাজার ৭১২ টাকা। আর নবম সংসদ নির্বাচনে ৩ কোটি ৬০ লাখ ২৬ হাজার ৯৭৪ টাকা নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব ইসিতে দিয়েছিল আওয়ামী লীগ।

ইসিতে একাদশ সংসদ নির্বাচনের দলীয় ব্যয় রিটার্ন জমা দেয়ার সময় আওয়ামী লীগ প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবিএম রিয়াজুল কবীর কাওছার, সেলিম মাহমুদ প্রমুখ।

সিইসির কাছে দলের ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়ার পর এইচটি ইমাম সাংবাদিকদের জানায়, নবম ও দশম সংসদ নির্বাচনে আইনি বাধ্যবাধকতা মেনে যথাসময়ে ব্যয়ের বিবরণী জমা দেয়া হয়েছে। এবারও কমিশনে ব্যয়ের হিসাব দাখিল করা হয়েছে। ২০০৮ থেকে ২০১৪ সালে নির্বাচনী ব্যয় কিছুটা বেড়েছিল। এবার কিছুটা কমেছে।

ব্যয় কম হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এবার আমাদের একটি জিনিস উল্লেখযোগ্য- অন্যান্য বছর আমরা অনেক সময় দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের আর্থিক সহায়তা দিয়েছি। এবার আর সেটি করা হয়নি। সেদিক থেকে আমাদের ব্যয় কম।

এবার আমরা আয় পেয়েছি বেশি, অনেকেই অনুদান দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাচনে অনেক সংসদ সদস্য নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে ভোট চেয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, দলীয় প্লাটফর্মে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দুটি বিষয় আছে- এখানে একটি হল নির্বাচনী আইন যদি কেউ ভঙ্গ করে থাকেন, সেটা তো নির্বাচন কমিশন আমাদের অনেককেই এমনকি দু-একজন মন্ত্রীকে সতর্ক করে দিয়েছেন।

এমপিদের সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। এটা নির্বাচনী আইনভঙ্গের জন্য। আর দ্বিতীয়ত, দলের পক্ষ থেকে একজন নৌকার প্রার্থী হলেও আবার একই সঙ্গে বলে দেয়া হয়েছিল যে, অন্যরাও নির্বাচন করতে পারেন। এটা কিভাবে নেবেন তা দলে আলোচনা হয়েছে। দলের অনেকের কাছে হয়তো ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে।

এইচটি ইমাম এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, উপজেলা নির্বাচনে আমাদের দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্ট বলে দিয়েছিলেন, এই বার্তাটি সবার কাছে চলে গেছে যে, প্রশাসন ও পুলিশের কেউই কোনোরকম কোনো নির্বাচনে কোনো প্রভাব তো খাটাবেই না এবং তারা একেবারে নিরপেক্ষভাবে পক্ষপাতহীনভাবে নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তা করবেন। এ কাজটি তারা করেছেন এবং নির্বাচন কমিশন সে জন্য সন্তুষ্ট।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচন কমিশনকে সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে রেখে শক্তিশালী করার জন্য যা কিছু প্রয়োজন তা করে চলেছে। এজন্যই আমরা চাই যে, গণতান্ত্রিক যেসব— রীতিনীতি, বিধানাবলি ও গণতান্ত্রিক যেসব সংস্কার প্রয়োজন, সেই সঙ্গে গণতান্ত্রিক যেসব প্রতিষ্ঠান সেগুলোরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে। এর জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত আছে।

Bootstrap Image Preview