Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৫ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২০১৯ | ১২ বৈশাখ ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

বাংলা একাডেমিতে ১০ দিনব্যাপী বিসিকের মেলা

আসাদুল্লা লায়ন
রিপোর্টার
প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল ২০১৯, ০৭:২৭ PM
আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০১৯, ০৭:৩১ PM

bdmorning Image Preview
ছবি: বিডিমর্নিং


ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্য নিয়ে এবারও বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে অন্যান্য বছরের মতো এবারও বাংলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে ১০ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এবং বাংলা একাডেমি যৌথভাবে এ মেলা আয়োজন করছে।

রবিবার(১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখে দুপুর থেকে মেলায় ঘুরে দেখা যায় মানুষের কিছুটা সমাগম থাকলেও বিক্রি তেমন হচ্ছে না।

বিক্রেতাদের দাবি মেলা আরো আগে শুরু হওয়ার কথা ছিলো, দেরি করে শুরু হওয়ায় এবার প্রথম দিনে বিক্রি একেবারেই কম। তবে কতৃপক্ষ বলছে এবার বিক্রির আগের চেয়ে ভালো হবে।

স্বপ্ন কুটির শিল্প’র মোঃ সাইফুল ইসলাম বিডিমর্নিংকে বলেন, আমি প্রতিবার মেলায় অংশ গ্রহণ করি, এবার মেলার প্রথম দিনেই বিক্রি ভালো না। সকাল থেকে মাত্র ১ হাজার টাকা বিক্রি করেছি।

এছাড়া মেলার ব্যাবস্থাপনায় উদাসিনতা রয়েছে। তারা কুটির শিল্পর জিনিসপত্র বিক্রি করতে এখানে স্টল দিয়েছে কিন্ত এখানে অন্য আইটেমের দোকান রয়েছে, এজন্য ক্রেতাদের পছন্দ করে ক্রয় করতে অসুবিধা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এবং বাংলা একাডেমি যৌথ এ আয়োজনে এবার ২১০ টি স্টল বসেছে। এর মধ্যে খাবার, পোশাক, কারুশিল্প, একতারাসহ বিভিন্ন আইটেম রয়েছে। তাছাড়া বংলা একাডেমির একটি বইয়ের স্টলও রয়েছে।

মেলায় ঘুরতে আসা মাহমুদুল হাসান বিডিমর্নিংকে বলেন, আমার ভালো লেগেছে, তবে কতৃপক্ষের কিছু উদাসীনতাও লক্ষ করেছি। তারা এসব স্টলের ম্যানেজমেন্ট ভালোভাবে করতে পারেনি।

এছাড়া হস্ত ও কারু শিল্পর স্টল আগের তুলনায় অনকে কম রয়েছে, যেটা একটা বৈশাখী মেলা হিসেবে গ্রহনীয় নয়।

শুকনো মিষ্টিজাতীয় খাবারের বিক্রি করছেন গনেশ। তিনি বিডিমর্নিংকে বলেন, আমি প্রতিবারই আসি, এবারও বিক্রি ভালো হচ্ছে, কেনোনা এবার আবহাওয়া এখনো ভালো। এছাড়া বাকি দুনগুলোতেও ভালো বিক্রি হবে বলে আশা করি।

হস্তশিল্পের সমাহারের পড়সা সাজিয়ে বসে আছেন দিনাজপুরের মমতারি সামান্ত। তিনি বলেন, আজকে সকাল থেকে আছি, বিক্রি আগের তুলায় কম তবে বাকি দিুনগুলোতে ভালো হবে।

মেলা কতৃপক্ষের প্রতি অভিযোগ তুলে কুষ্টিয়া থেকে আসা সোনালী বলেন, আমরা ৫ দিন আগে এসেছি, হঠাৎ শুনি মেলা দেরিতে হবে। এর পর আমাদের মালামাল নিয়ে এখানে অবস্থান করতে সমস্যায় পড়তে হয়। আমরা এর পর আর এ মেলায় অংশ গ্রহণ করবো না।

বিসিকের পরিচালক (নকশা ও কারুশিল্প) জীবন কুমার চৌধুরী বিডিমর্নিং বলেন, পুশিশের অনুমতি না থাকায় আমাদের দেরি করে শুরু করতে হয়। তবে আমরা ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছি যাতে এটা বিক্রেতাদের উপর প্রভাব না পরে। আজ প্রথম দিন এজন্য বিক্রি হয়নি এটা স্বাভাবিক। কারণ অন্যান্য বছর আমরা বিকেলে ওপেন করি কিন্ত এবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে। আশা করি বাকি দিনগুলোতে ভালো বিক্রি হবে। এবং লোকসমাগমও প্রচুর হবে।

Bootstrap Image Preview