Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৫ মঙ্গলবার, জুন ২০১৯ | ১১ আষাঢ় ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

'জেলেদের বদলে জাল উৎপাদনকারীদের শাস্তি দেয়া হবে'

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১ মার্চ ২০১৯, ০৯:৫৯ PM
আপডেট: ২১ মার্চ ২০১৯, ০৯:৫৯ PM

bdmorning Image Preview


জাটকাসংরক্ষণ সপ্তাহে ১১২০টি মোবাইলকোর্ট ও অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে ১৮টন জাটকাসহ অন্যান্য মাছ জব্দ করা হয়েছে।

আজ জাটকাসংরক্ষণ সপ্তাহে এক সমাপনী ও মূল্যায়নসভায় এসব কথা জানানো হয়।

এছাড়াও ১১কোটিটাকা মূল্যের প্রায় ৫৬লক্ষ মিটার জাল আটকের পাশাপাশি প্রায় ৩ লাখটাকা জরিমানা আদায়, ১০৩টি মামলাদায়েরসহ ১০৩ জনকে জেলে পাঠানো হয়।

এছাড়াও রাজধানীতে ৬,৩০০ কেজি জাটকা জব্দের পর তা ১১২টি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। সপ্তাহ চলাকালে ঢাকা মহানগরীরতে জাটকাবিরোধী ১০টি অভিযান পরিচালিত হয়।   
   
অন্যদিকে নভেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত ৮ মাসব্যাপী নিয়মিত জাটকানিধনরোধের অংশ হিসেবে ফেব্রুয়ারি মাসে ৫,৫১১টি মোবাইলকোর্ট ও অভিযান চালিয়ে ২৩কোটি ৬৬লাখ টাকার প্রায় ৭১টন জাটকাসহ অন্যান্য মাছ জব্দের পাশাপাশি প্রায় দেড়কোটি মিটার জাল আটক করা হয়। এ সময় সাড়ে ১০লাখটাকা জরিমানাসহ ২২৮টি মামলায় ৭৭জনকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।   

মৎস্য অধিদফতরের ডিজি আবু সাইদ মোঃ রাশেদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মূল্যায়নসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু।

অন্যান্যের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের সচিব রইছউল আলম মণ্ডল, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) সুবল মনি বোস ও ইলিশ ব্যবস্থাপনাশাখার সিনিয়র সহকারী পরিচালক মাসুদ আরা মমি বক্তৃতা করেন।  

প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রণালয়সহ অধিনস্থ সকল দফতরের কার্যক্রমসহ কাজের মানবৃদ্ধি ও গতি-তরান্তিত করার ওপর জোর দিয়ে বলেন, জাটকাসহ অন্যান্য মাছের সংরক্ষণে সকল প্রকার জালের মূলোৎপাটন করতে হবে।   

বক্তারা গরিব জেলেদের জেল-জরিমানার বদলে জাল উৎপাদক, সরবরাহকারী, দাদনদার, দালাল ও জোতদারদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার প্রয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ধৃত জাটকামাছ যেমন এতিমখানায় দেয়া হয়, তেমনই ধৃত জাল পুড়িয়ে ফেলে জাতীয় সম্পদ ধ্বংসের বদলে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ভুক্ত প্লাস্টিকপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্টে কাঁচামাল হিসেবে সরবরাহ করার সম্ভাব্যতাযাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীসহ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

Bootstrap Image Preview