Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২২ বৃহস্পতিবার, আগষ্ট ২০১৯ | ৭ ভাদ্র ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

সুইডেনে জঙ্গি হামলার ‘প্রতিশোধ’ নিতেই ক্রাইস্টচার্চে হামলা?

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০১৯, ০৪:৩৮ PM
আপডেট: ১৫ মার্চ ২০১৯, ০৪:৪৬ PM

bdmorning Image Preview


নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে ভয়াবহ হামলায় ভাগ্যজোরে অল্পের জন্য বেচে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। এই হামলা যে চালিয়েছে সে নিজেকে ব্রেন্টন টেরেন্ট বলে পরিচয় দেয়া এই হামলাকারী ২৮ বছর বয়সী এক অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক। হামলার আগে সে টুইটারে 'দ্য গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট' শিরোনামে ৮৭ পৃষ্ঠার দীর্ঘ একটি মেনোফেস্টো প্রকাশ করে।

নিজেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক বলেও দাবি করা ব্রেন্টন টেরেন্ট কেন এই হামলা চালিয়েছেন তা নিয়ে চলছে জল্পনা।

অস্ট্রেলিয়ার কিছু গণমাধ্যম বলছে, ২০১৭ সালের ৭ এপ্রিল সুইডেনের স্টকহোম শহরে জঙ্গিদের ট্রাক চাপায় হতাহতের ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই নাকি টেরেন্ট এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। এই ধারণার পেছনে হামলাকারীর রাইফেল লেখা কিছু শব্দ যুক্তি হিসেবে তুলে ধরেছে নিউজ ডট কম এইউ, টাইমস নাও এর মতো মিডিয়াগুলো।

টেরেন্টে যে রাইফেল নিয়ে এই হামলা চালান, সেটার গায়ে কিছু শব্দ লেখা ছিল। হামলার ভিডিওতে যে শব্দগুলো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে সেগুলো হলো, 'To take revenge for Ebba Akerlund'। এবা আকারলাউন্ড নামের ১২ বছরের সুইডিশ মেয়েটি ছিল শ্রবণ প্রতিবন্ধী।

স্কুল থেকে ফেরার পথে সে স্টকহোমের সেই ট্রাকচাপায় সে প্রাণ হারায়। এবার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতেই ক্রাইস্টচার্চে হামলা করে টেরেন্টে। তার রাইফেলের লেখা এবং তার টুইটার অ্যাকাউন্টের বক্তব্য থেকে এই ধারণা করছে গণমাধ্যম।

প্রতিশোধাত্মক এই ঘটনা ইতিমধ্যেই শান্তিকামী মানুষের মনে ভিন্ন এক শংকা জাগিয়ে দিয়েছে। এভাবে যদি প্রতিটি ঘটনার প্রতিশোধ নেওয়া শুরু হয়; তবে সারাব পৃথিবী একসময় নরকে পরিণত হবে। ক্রাইস্টচার্চের আল নূর মসজিদে নিহত ৪৯জনের মধ্যেও অন্তত দুজন শিশু বলে জানা গেছে। নৃশংস এই হামলার পর ধর্মের নামে মানুষ হত্যা বন্ধের দাবি তুলেছেন শান্তিকামী মানুষ।

Bootstrap Image Preview