Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৩ সোমবার, সেপ্টেম্বার ২০১৯ | ৮ আশ্বিন ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

ভাষা শহিদ ও ভাষাসৈনিকদের প্রতি এমডব্লিউইআরের বিনম্র শ্রদ্ধা

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ০৫:৪৪ PM
আপডেট: ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ০৫:৪৪ PM

bdmorning Image Preview


কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা শহিদ ও ভাষাসৈনিকদের প্রতি ফুল দিয়ে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে মুভমেন্ট ফর ওয়ার্ল্ড এডুকেশন রাইটস (বিশ্ব শিক্ষা অধিকার আন্দোলন)।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নেতৃবৃন্দ।

সংগঠনটির আহ্বায়ক ফারুক আহমাদ আরিফের নেতৃত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্টেট ইউনিভার্সি অব বাংলাদেশের প্রতিনিধি আসাদুল্লা লায়ন, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির  রায়হান শোভন, ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মো. আবদুল ওয়াদুদ, ঢাকা কলেজের মিশন চৌধুরী ও তিতুমীর সরকারি কলেজের সুলতান মাহমুদ আরিফ প্রমুখ।

ফুল দেওয়ার আগে একটি গণমাধ্যমের সাথে সাক্ষাৎকারে ফারুক আহমাদ আরিফ বলেন, ফেব্রুয়ারির মাসের ২১ তারিখ অথবা এ মাসের কিছুদিন ভাষাকেন্দ্রীক ব্যবস্থতা দেখা যায়। পরবর্তীতে এর প্রতি জাতীয় উদাসীনতা আমাদেরকে আহত করে। পীড়িত করে। ভাষাকে ভালোবাসার পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে কেননা আমরা ভাষার জন্যে আমাদের পূর্ব পুরুষেরা আন্দোলন করেছেন, প্রাণ দিয়েছেন।

কিভাবে মানুষকে বাংলা ভাষার প্রতি আরো অনুরাগী করে তোলা যায় এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, তৃতীয় শ্রেণি থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ভাষা আন্দোলনের সঠিক ইতিহাস পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

এদিকে ফুল দেয়া শেষে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এক সংক্ষিপ্ত বৈঠকে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ সরকারের কাছে বেশ কিছু দাবি উত্থাপন করেন যা আগামী শনিবার, ১১ ফাল্গুন ১৪২৫ (২৩ ফেব্রুয়ারি-২০১৯) 'রাষ্ট্রের সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন চাই' শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপন করা হবে।

এদিকে চকবাজারে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহযোগিতার অনুরোধ এমডব্লিউইআর।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানান সংগঠনটির আহ্বায়ক ফারুক আহমাদ আরিফ ও যুগ্ম-আহ্বায়ক এনায়েতুল্লাহ কৌশিক।

পুরান ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টার আগুনে হতাহতের গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করে তারা বলেন, রাজধানী ঢাকার চকবাজারে আগুনে হতাহতদের পরিবারের পাশে এসে আমরা সকলকে দাঁড়ানোর অনুরোধ করছি। দেশ-বিদেশের বিত্তশালীদের প্রতি আমাদের অনুরোধ আসুন এসব পরিবারগুলোকে আমরা সার্বিকভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করি।

তারা বলেন, সরকার ইতিমধ্যে নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। আমরা মনে করি রাষ্ট্রের এই দুর্যোগময় সময়ে দেশ-বিদেশের বিত্তবান ও সাধারণ মানুষ সবাইকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহযোগিতা করা প্রয়োজন।  

ইতিমধ্যে ৮১ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আহত ৪১ জন।

Bootstrap Image Preview