Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৩ বুধবার, অক্টোবার ২০১৯ | ৮ কার্তিক ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

মার্চে চালু হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশের পর্যটকবাহী নৌযান

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারী ২০১৯, ১০:৫১ AM
আপডেট: ২৮ জানুয়ারী ২০১৯, ১০:৫১ AM

bdmorning Image Preview


আগামী মার্চে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পর্যটকবাহী নৌযান চালু হচ্ছে। ফলে উভয় দেশের পর্যটকদের নৌপথে ভ্রমণের সুযোগ হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ড. আদর্শ সোয়াইকা বলেছেন, প্রথমে ভারতের পর্যটক দল নৌপথে বাংলাদেশের সুন্দরবন ভ্রমণ করবে। রোববার সচিবালয়ের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তারা। এ সময় বাণিজ্য সচিব মফিজুল ইসলাম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) শফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আগামী দিনগুলোতে ভারত-বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। এর ফলে উভয় দেশের বাণিজ্য ও সহযোগিতা বাড়বে। বাংলাদেশে ভারতের বিনিয়োগ বাড়ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোনে তিনটিতে ভারত বড় ধরনের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মোংলায় ১১০ একর জমির ওপর স্পেশাল ইকোনমিক জোনের কাজ অল্প দিনের মধ্যেই শুরু করবে।

মীরসরাইয়ে এক হাজার একর জমির ওপর এবং ভেড়ামারায় অপর একটি ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দিনাজপুরের চিলাহাটি সীমান্তে একটি স্থলবন্দর নির্মাণের জন্য আমরা প্রস্তাব দিয়েছি। তাছাড়া চলমান বর্ডারহাটের সংখ্যা বাড়ানোর জন্যও উভয় দেশ একমত হয়েছি। চলমান বর্ডার হাটের পাশাপাশি আরও ৬টি বর্ডারহাট চালু করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ইস্যুর ক্ষেত্রে জটিলতা নিরসনের জন্য ভারতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশি পণ্য ভারতে রফতানির ক্ষেত্রে সমস্যাগুলো দূর করতে পদক্ষেপ নেয়া হবে। ফলে আগামীতে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ব্যবধানও দূর হবে।

ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ড. আদর্শ সোয়াইকা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, কিছুদিনের মধ্যে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পর্যটকবাহী নৌযান চালু হবে। তবে প্রথমে ভারতের পর্যটক দল নৌপথে বাংলাদেশের সুন্দরবন ভ্রমণ করবে। ভারত বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে রাজধানী ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে ১৫টি ভিসা ইস্যু সেন্টার চালু করেছে। চলমান বর্ডার হাটের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ-ভারত বর্তমান বাণিজ্য ৯৪৯২.৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছর ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশটিতে ৬৭২.৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি হয়, যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বেড়ে ৮৭৩.২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়।

Bootstrap Image Preview