Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২৪ শুক্রবার, মে ২০১৯ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

১ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, প্রস্তুত মন্ত্রণালয়

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮ জানুয়ারী ২০১৯, ০৮:৪১ PM
আপডেট: ০৮ জানুয়ারী ২০১৯, ০৮:৪১ PM

bdmorning Image Preview


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি। এ ছাড়া-পরবর্তী দুই মাসের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষার শেষ করা হবে।

এমসিকিউ পদ্ধতির লিখিত পরীক্ষা নিতে ইতিমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, এবার প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ২৪ লাখের বেশি চাকরিপ্রত্যশী আবেদন করেছেন। সারাদেশে ১২ হাজার আসনের বিপরীতে তারা এ ‘যুদ্ধে’ বসবেন।

জানা গেছে, বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৬৪ হাজার ৮২০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তার আলোকে নারী আবেদনকারীদের ৬০ শতাংশ কোটায় এইচএসসি বা সমমান পাস ও পুরুষের জন্য ৪০ শতাংশ কোটায় স্নাতক বা সমমান পাস চাওয়া হয়।

লিখিত পরীক্ষায় আসনপ্রতি তিনজনকে (একজন পুরুষ ও দুই নারী) নির্বাচন করা হবে। মৌখিক পরীক্ষার পর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে।

প্রার্থীরা dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। এ ছাড়া ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলি এবং পরীক্ষাসংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি লিখিত পরীক্ষা আয়োজনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। এ ছাড়া-পরবর্তী দুই মাসের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করার চিন্তা-ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

আগামী সপ্তাহে মন্ত্রণালয়ে নিয়োগসংক্রান্ত সভা বসার কথা রয়েছে। সেখানে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। লিখিত পরীক্ষার পর নতুন করে আরও ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে সূত্রে জানা গেছে।

Bootstrap Image Preview