Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৮ সোমবার, নভেম্বার ২০১৯ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

কেন ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে ইসরায়েলি বিমান?

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ নভেম্বর ২০১৮, ০৬:২৬ PM
আপডেট: ১১ নভেম্বর ২০১৮, ০৬:২৮ PM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত ছবি


গত মাসের ২৫ অক্টোবর পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের একটি বিমানবন্দরে ইসরায়েলি একটি বিমান অবতরণ করার খবর চাউর হয়েছিল। যদিও পাকিস্তান সরকার শুরু থেকে এমন অভিযোগ নাকচ করে আসছিল। 

কিন্তু ওই বিমানবন্দরের কর্মকর্তা ও একজন পাইলটের বরাত দিয়ে মিডল ইস্ট আই জানাচ্ছে, ওমান থেকে একটি ব্যক্তিগত বিমান ঠিকই ইসালামাবাদের ওই বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।

বিষয়টির স্পর্শকাতরতা বিবেচনায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পাইলট বলেছেন, ২৪ অক্টোবর রওয়ালপিন্ডির নুর খান সামরিক বিমানঘাঁটিতে ওই বিমানটি অবতরণ করে।

বিমানঘাঁটির তিনজন কর্মকর্তা ওই পাইলটের এমন বক্তব্য নিশ্চিত করেছেন। একজন কর্মকর্তা বলেছেন, আগে থেকেই দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িতে করে ওই বিমানের প্রতিনিধিদের নিয়ে যাওয়া হয় এবং গাড়িটি কয়েক ঘণ্টার পর ফিরে আসে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের এই ভ্রমণ নিয়ে মাতামাতির কারণ হচ্ছে ইহুদিবাদী রাষ্ট্রটির সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে কোনও কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।

ঘটনার পরদিন ইসরায়েলি পত্রিকা হারিটজ-র ইংরেজি ভার্সনের সম্পাদক অভি সচারফ ফ্লাইটের ম্যাপসহ একটি টুইট করেন। তবে ইসলামাবাদের কর্মকর্তারা এটিকে ষড়যন্ত্র হিসেবেই দেখছেন।

অভি সচারফ টুইটে উল্লেখ করেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওইদিন ওমান সফর শেষে পাকিস্তানে যান।

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী বলেছেন, সেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমান ছিল, ইসরায়েলের নয়। আমিরাতের প্রতিনিধিরা সেদিন ইসলামাবাদ ভ্রমণে এসেছিলেন। এদিকে পাকিস্তানের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহসান ইকবাল বলেছেন, সরকারের উচিত দ্রুতই বিষয়টি জনগণের কাছে প্রকাশ করা।

উড়োজাহাড়ের গতিপথ অনুসরণকারী ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪ বলছে, ২৩ অক্টোবর তেল আবিব থেকে বিজ জেটের ওই বিমানটি ২৪ অক্টোবর আম্মান পৌঁছে। এর ঠিক দশ ঘণ্টা পর বিমানটিকে ফের পাকিস্তানের ইসলামাবাদের আকাশে দেখা যায়।

ওয়েবসাইটটি বলছে, বিমানটি তেল আবিব থেকে আম্মান হয়ে পাকিস্তানে অবতরণ করে কয়েক ঘণ্টা পর আবারও তেল আবিবে পৌঁছে।

ইসলামাবাদে ইসরায়েলি বিমান অবতরণের বিষয়টি পাকিস্তান নাকচ করে দিলেও যুক্তরাষ্ট্রের সাবকে এক কূটনীতিক এমনটা অস্বাভাবিক মনে করেন না। দীর্ঘদিন ইসরায়েলে কূটনীতিকের দায়িত্ব পালন করা ওই ব্যক্তি বলেন, ইসরায়েল পাকিস্তানে যেতে পারে। কারণ সম্প্রতি তারা আরব ও মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করছে।

Bootstrap Image Preview