Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৬ সোমবার, ডিসেম্বার ২০১৯ | ২ পৌষ ১৪২৬ | ঢাকা, ২৫ °সে

'ধর্ষক' শাহিনকে আঙ্কেল বলেই ডাকতেন তরুণী

নারী ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর ২০১৮, ০৭:১৬ PM
আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০১৮, ০৭:১৭ PM

bdmorning Image Preview


বগুড়ার শাজাহানপুরে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শাহীনুর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (৩ অক্টোবর) রাতে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি টিম তাকে শহরের চারমাথা এলাকা থেকে থেকে আটক করে।

পুলিশ জানায়, ধর্ষণের শিকার কলেজছাত্রীর মামলায় শাহিনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার নির্যাতিত ওই কলেজছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আটককৃত শাহিন বগুড়া শহরের কাটনারপড়া এলাকার ওয়াজেদ আলীর ছেলে এবং তিনি ওই এলাকার যুব শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক।

নির্যাতিত ছাত্রী জানান, তিনি বগুড়ার পার্শ্ববর্তী জেলার একটি কলেজে অনার্সে পড়ছেন। তবে তিনি বাবা-মায়ের সঙ্গে বগুড়া শহরেই ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।

মামলার এজাহারে তিনি অভিযোগ করেছেন, প্রায় ৬ মাস পূর্বে একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠানে শাহিনুর রহমান শাহিনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।

তিনি শাহীনকে আংকেল বলেই ডাকেন। বিভিন্ন সময় শাহিন তাকে ফোন করে খোঁজ-খবর নিতেন এবং যেকোনো ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজনে তাকে স্মরণ করার পরামর্শ দিতেন।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর তার এক বন্ধুকে বিপদ থেকে উদ্ধারের জন্য তিনি শাহিনকে ফোন দেন। শাহিন তাকে সন্ধ্যার দিকে শহরের উপশহর পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় যেতে বলেন।

তার কথামত ওই এলাকায় যাওয়ার পর শাহিন তাকে কালো রঙের জিপ গাড়িতে তুলে নেয়। এরপর মহিলা কলেজ এলাকা থেকে মতিউর রহমান নামে তার আরও এক সহযোগীকে তুলে নিয়ে প্রায় ৪ কিলোমিটার দূরে শহরের ফুলতলা এলাকায় সিয়েস্তানামে একটি হোটেলে নিয়ে যায়।

এসময় তিনি বাসায় ফিরতে চাইলে শাহিন তাকে বাধা দেয় এবং একটি কক্ষে নিয়ে আটকে রাখে। এরপর তাকে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে ধর্ষণ করে।

পরে তিনি কৌশলে শাহিনকে ওই কক্ষ থেকে বের করে দিয়ে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন এবং অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরদিন ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে তিনি অটোরিকশায় বাসায় ফিরে যান।

তবে কাউকে কিছু না বলে শুধু কান্নাকাটি করতে থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। দুদিন পর তিনি তার বাবা-মাকে ঘটনাটি খুলে বলেন।

Bootstrap Image Preview