Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১০ সোমবার, ডিসেম্বার ২০১৮ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

মরেছে সহকর্মী: পুলিশের প্রশ্ন 'গরু মারল কে?'

আন্তর্জাতিক ডেস্ক-
প্রকাশিত: ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:৩২ PM
আপডেট: ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:৩২ PM

bdmorning Image Preview
সংগৃহীত ছবি


ভারতের উত্তর প্রদেশে গো-রক্ষকদের হাতে পুলিশ কর্মকর্তা সুবোধ কুমার সিংহ নিহত হওয়ার ঘটনার জের এখনও চলছে। পুলিশের কাছে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, ওই এলাকায় গরু মারল কে? উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ইনস্পেক্টর জেনারেল রাম কুমার বলেছেন, পুলিশ কীভাবে তদন্ত করবে? তার জন্য তো তথ্য-প্রমাণ প্রয়োজন। ওই ঘটনার চেয়েও এখন আমাদের বড় প্রশ্ন, বুলন্দশহরে কে বা কারা গরু মেরেছিল?

রাম কুমারের এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে যায়, পুলিশ প্রশাসন একেবারেই নিশ্চিত যে, জঙ্গলে পড়ে থাকা ওই মাংস ছিল গরুর! সেটা অন্য কোনো পশুর হতেই পারে না! মূল অভিযুক্ত বজরং দলের কর্মী যোগেশ রাজের এখনও কোনো খোঁজ পায়নি পুলিশ। পুলিশের খাতায় যোগেশ এখনও পলাতক। অন্য তিন জনকে অবশ্য গ্রেফতার করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের পুলিশ আরও চার জনকে গ্রেফতার করেছে গো-হত্যার অন্য একটি ঘটনায়, যাদের নামে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছিলেন বুলন্দশহর কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত যোগেশ।

পুলিশের খাতায় 'পলাতক' যোগেশকে কিন্তু এখনও দেখা যাচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপে। যোগেশ হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও মেসেজ পাঠিয়ে জানিয়েছে, সোমবারের ওই ঘটনার সময় তিনি তার ধারেকাছেই ছিলেন না। থানায় বসে ছিলেন। অন্যদিকে কেন যোগেশ এখনও ধরা পড়েনি, আপাতত তার কারণ ব্যাখ্যা করতেই বেশি ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন ইনস্পেক্টর জেনারেল রাম কুমার।

তিনি বলেছেন, 'ফরেনসিক পরীক্ষা হোক আগে। তাতে কী পাওয়া যায়, দেখি। হাতে তথ্যপ্রমাণ না পেলে তো আর তদন্ত শুরু করতে পারে না পুলিশ। ওই পুলিশ অফিসারকে (সুবোধ কুমার সিংহ) কে বা কারা গুলি করল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সুমিতকে (বুলন্দশহরের ঘটনায় ওই দিন আর যিনি খুন হয়েছেন) কারা মারল, তাও স্পষ্ট নয়।''

সহকর্মী খুনের ঘটনাকে যে তিনি ততটা গুরুত্ব দিতে চান না, তা বোঝাতে রাম কুমার বলেন, 'গরুটাকে মারল কারা? কারা ছিল ওই ঘটনার ষড়যন্ত্রে? এটা আমাদের কাছে আরও বড় প্রশ্ন। ফরেন্সিক পরীক্ষা থেকে কোনো তথ্যপ্রমাণ যাঁর (যোগেশ রাজ) বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত হাতে আসেনি আমাদের, হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো তার ভিডিও মেসেজের সূত্রে তাকে গ্রেফতার করার গুরুত্বটা ততটা বেশি নয়।'

Bootstrap Image Preview