Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১০ সোমবার, ডিসেম্বার ২০১৮ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

২২ বছর পর শেরপুর-১ আসনে ধানের শীষে প্রার্থী প্রিয়াংকা

বিডিমর্নিং ডেস্ক-
প্রকাশিত: ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৭:৩৬ PM
আপডেট: ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৭:৩৬ PM

bdmorning Image Preview
ফাইল ছবি


আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার শেষ প্রদীপটি জ্বালিয়ে রেখেছেন ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা। তিনি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলীর মেয়ে। প্রিয়াংকার মধ্য দিয়ে আসনটিতে ২২ বছর পর ধানের শীষে প্রার্থী দিতে যাচ্ছে বিএনপি।

নতুন কোনো ধরনের চমক সৃষ্টি না হলে তিনিই হবেন আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী টানা ৪ বারের নির্বাচিত এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুইপ মো. আতিউর রহমান আতিকের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী।

শেরপুর-১ (সদর) আসনে ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলীর। হযরত আলী ও তার মেয়ে ডা. প্রিয়াংকাসহ চারজন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন।

চারটি ব্যাংকের ঋণ খেলাপির দায়ে হযরত আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। এছাড়া জেলা যুবদল সভাপতি শফিকুল ইসলাম মাসুদ এবং সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুল কাদের মনোনয়নপত্রে বিএনপির প্রার্থী বলে উল্লেখ করলেও এর সঙ্গে দলীয় মনোনয়নের চিঠি সংযুক্ত না করায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

হযরত আলী দীর্ঘদিন থেকে এ আসনে ধানের শীষের প্রতীকে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে আসছিলেন। কিন্তু তিনি ডজন খানিক বিভিন্ন মামলার আসামি হয়ে প্রায় ৩ মাস ধরে কারাগারে আটক রয়েছেন।

ফলে তিনি তার ব্যাংক ঋণের ঝামেলামুক্ত হতে পারেননি। তাই এ আসনে বিএনপির হাই কমান্ড থেকে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে তার মেয়ে ঢাকা ধানমণ্ডির আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের লেকচারার ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকাকে মনোনয়ন দেয়।

২ ডিসেম্বের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে হযরত আলীর মনোনয়নপত্র ঋণ খেলাপির কারণে বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। ফলে দীর্ঘ ২২ বছর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রতীক দেখার সৌভাগ্য হচ্ছে বিএনপি নেতাকর্মী এবং সাধারণ ভোটারদের।

সর্বশেষ ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি থেকে মো. নজরুল ইসলাম ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর একই বছর ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নজরুল ইসলাম পুনরায় প্রার্থী হলেও নির্বাচিত হতে পারেননি।

২০০১ ও ২০০৮ সালে পরপর দু’বার এ আসেন বিএনপি তথা ৪ দলীয় জোট প্রার্থী হিসেবে দাড়িপাল্লা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামান। নেতাকর্মীদের দাবি ডা. প্রিয়াংকা বিভিন্ন সময় তার নির্বাচনী এলাকায় চরাঞ্চলের দুস্থ মানুষকে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে সেবা দিয়েছেন।

Bootstrap Image Preview