Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১২ বুধবার, ডিসেম্বার ২০১৮ | ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

পল্টনের সংঘর্ষ ফৌজদারি অপরাধ: ইসি

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ০৬:৪৫ PM
আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ০৬:৪৫ PM

bdmorning Image Preview


গত ১৪ নভেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষের ঘটনাকে 'ফৌজদারি অপরাধ' বলে অবিহিত করেছেন নির্বাচন কমিশন সচিব।

সোমবার (১৯ নভেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশনের সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, নয়াপল্টনের ঘটনায় ফৌজদারি অপরাধ হয়েছে। গতকাল পুলিশ আমাদের প্রতিবেদন দিয়েছে। সেই প্রতিবেদনের ভিডিও, স্থিরচিত্র, অন্যান্য তথ্যাদি পর্যালোচনা করে এটাকে ফৌজদারি অপরাধ মনে করে কমিশন সভা।

এ সময় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একাধিক মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারেক রহমানের 'ভিডিও কনফারেন্সে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার' আচরণবিধির লঙ্ঘন নয় বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

ইসি সচিব বলেন, তারেকের অনলাইন কার্যক্রম আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে না। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছু করণীয় নেই।

লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা তারেকের বক্তব্য প্রচারে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়ে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, তারেকের বিষয়ে হাইকোর্টের একটি নির্দেশনা রয়েছে। এটা সবাইকে মানতে হবে।

প্রসঙ্গত, ১৪ নভেম্বর বিএনপির দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণকে ঘিরে নয়াপল্টনে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী জড়ো হন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয় এবং কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

ওইদিন কী ঘটেছিল, তার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ জানানোর নির্দেশ দিয়ে পুলিশকে চিঠি দিয়েছিল ইসি। সে অনুযায়ী রোববার পুলিশ ঘটনার প্রতিবেদন ইসিতে জমা দেয়।

ওইদিন সকাল থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ভিড় শুরু হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে একটি মিছিল কার্যালয়ের সামনে আসে। এ সময় বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আরও কয়েকটি মিছিল দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে জড়ো হয়। তখন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

একপর্যায়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা বিএনপির নেতাকর্মীদের ফুটপাতের দিকে অবস্থান নেয়ার জন্য রাস্তা ছেড়ে দেয়ার জন্য নির্দেশ দেন এবং তাদেরকে ফুটপাতের দিকে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়।

তখন উপস্থিত নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এবং রাবার বুলেট ছুড়ে। তখন বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকে উদ্দেশ করে ইটপাটকেল, জুতা এবং অন্যান্য বস্তু নিক্ষেপ করতে থাকে।

Bootstrap Image Preview