Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৮ রবিবার, নভেম্বার ২০১৮ | ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

বিজয়া দশমী; ভক্তদের কাঁদিয়ে আজ বিদায় নেবেন মা দুর্গা

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ১০:১৪ AM
আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ১০:১৪ AM

bdmorning Image Preview


শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষদিন  শুভ বিজয়া দশমী আজ। ভক্তরা অশ্রুজলে আজ বিদায় জানাবেন মা দুর্গাকে।

বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) ছিল মহানবমী। এদিন সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটের মধ্যে দেবীর মহানবমী কল্পারম্ভ ও মহানবমী বিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীসহ সারা দেশের মন্দিরে মন্দিরে পূজা শেষে পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ ও সন্ধ্যায় হয় ভোগ-আরতি। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনের পূজামণ্ডপে সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় আরতি প্রতিযোগিতা।

এদিকে বিজয়া দশমীর দিন আজ সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগরী ও এর আশপাশের এলাকার বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীতে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন দেবেন ভক্তরা। এছাড়া সারা দেশে বিভিন্ন নদ-নদী ও জলাশয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দুর্গা বিসর্জন দেবেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মিলন কান্তি দত্ত বলেন, শুক্রবার বিকাল তিনটা থেকে সাড়ে তিনটার মধ্যে পলাশী মোড় থেকে বিজয়া শোভাযাত্রা শুরু হবে। শোভাযাত্রা শেষে মা দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন হবে। আর এ বিসর্জনের মধ্য দিয়েই এবারের শারদীয় দুর্গোৎসবের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে। মা দুর্গা এবার ঘোটকে (ঘোড়ায়) চড়ে এসেছিলেন। বিদায় নেবেন দোলায় (পালকি) চড়ে।

গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহা জানান, শুক্রবার সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটের মধ্যে দেবীর বিহিত পূজা ও পূজান্তে দর্পণ বিসর্জন হবে। দুপুরের পর বিজয়া শোভাযাত্রা শেষে মা দুর্গাকে বিদায় জানানো হবে। বনানী পূজামণ্ডপে বৃহস্পতিবার দেখা যায়, ভক্ত-দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত তারা দেবী দুর্গার পায়ে অঞ্জলি দিয়ে আশীর্বাদ নিয়েছেন। 

মগবাজার থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আসা প্রলয় ভট্টাচার্য বলেন, প্রতি বছর মা দুর্গা আসেন শান্তির বার্তা নিয়ে। তাই মায়ের আশীর্বাদ নিয়েছি। একটাই প্রত্যাশা- সম্প্রীতির এই দেশে যেন মায়ের আশীর্বাদ আগের মতোই থাকে। আমাদের সম্প্রীতি যেন কোনো অশুভ শক্তি নষ্ট করতে না পারে।

দুর্গোৎসব উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনের মণ্ডপের সামনে বিশাল প্যান্ডেল করা হয়েছে। মন্দিরকে সাজানো হয়েছে নতুন রঙ, সাজ ও আলোকসজ্জায়। স্থাপন করা হয়েছে পুলিশের বিশেষ কন্ট্রোল রুম। পাশাপাশি পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষও স্থাপন করেছে। পুরো পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকা ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। পূজাকে ঘিরে পুরান ঢাকার অলিগলিতেও উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে।

Bootstrap Image Preview