Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১১ মঙ্গলবার, ডিসেম্বার ২০১৮ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

পর্যটনের বিকাশে গতিশীল হবে এভিয়েশন খাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৮:০৩ PM
আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৮:০৩ PM

bdmorning Image Preview


দেশে পর্যটনখাতের বিকাশ হলে এভিয়েশন খাতও গতিশীল হবে। পর্যটন খাতের বিকাশে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করলে হোটেল, রিসোর্ট, ট্যুর অপারেটরদের পাশাপাশি দেশি এয়ারলাইন্সগুলোর প্রসার বাড়বে। একই সঙ্গে এয়ারলাইন্সগুলোও দেশের পর্যটনখাতকে ব্র্যান্ডিং করলে পর্যটন খাতের বিকাশ হবে।

আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে রবীন্দ্র সরোবরে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ট্যুরিজম ফেস্টের এক আলোচনা সভায় বক্তরা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নভোএয়ারের হেড অব মার্কেটিং মেসবাহ উল ইসলাম, ইউএস বাংলা এয়ারলান্সের জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং সাপোর্টএন্ড পাবলিকরিলেশন) মো. কামরুল ইসলাম, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ম্যানেজার (মার্কেট রিসার্চ) এএসএমম নজরুল ইসলাম, ম্যানেজার (পাবলিক রিলেশন) তাসমিন আক্তার, এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের (এটিজেএফবি) সভাপতি নাদিরা কিরণ, সাধারণ সম্পাদক তানজিম আনোয়ার প্রমুখ।

নভোএয়ারের হেড অব মার্কেটিং মেসবাহ উল ইসলাম বলেন, মানুষ আগের চেয়ে অনেক বেশি ভ্রমণপিপাসু হয়েছে। এর ফলে এয়ারলাইন্সগুলোর ফ্লাইট বেড়েছে। পর্যটন খাতের বিকাশ হলে এভিয়েশন খাতও আরও গতিশীল হবে। আমরা পর্যটনবান্ধব ট্যুর প্ল্যানি নিয়ে যাত্রীর সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।

ইউএস বাংলা এয়ারলান্সের জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং সাপোর্টএন্ড পাবলিকরিলেশন) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে পর্যটনের অফুরন্ত সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের আকর্ষণীয় পর্যটন স্পটগুলো চিহ্নিত করে বিদেশে প্রচারণা চালালে বিদেশি পর্যটক বাড়বে। পর্যটক বাড়লে দেশি এয়ারলাইন্সগুলোর ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়বে। সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতি যেমন গতিশীল হবে তেমনি কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ম্যানেজার (মার্কেট রিসার্চ) এএসএমম নজরুল ইসলাম বলেন, সরকার পর্যটন ও এভিয়েশন খাতকে গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশির বিমানবন্দরগুলোর রানওয়ে সম্প্রসারণসহ অবকাঠোমো উন্নয়ন হচ্ছে। এয়ারলাইন্সগুলো যাত্রীবান্ধব হলে এবং পর্যটক আকর্ষণে ব্যবস্থা গ্রহণ হলে এ খাত দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের (এটিজেএফবি) সাধারণ সম্পাদক তানজিম আনোয়ার বলেন, পর্যটন স্পটগুলোতে নিরাপত্তা বৃদ্ধি, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে আরও বেশী আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হবে। দেশে পর্যটন খাতের বিকাশে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার আন্তরিক। তবে দেশি এয়ারলাইন্সগুলোকে যাত্রী সেবার মান বাড়াতে হবে, একই সঙ্গে ফ্লাইট শিডিউল ঠিক রাখতে হবে।

তিন দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের শেষ দিন দর্শকদের সামনে গান পরিবেশন করেন গণসঙ্গীত শিল্পী ফকির আলমগীর। এছাড়াও, দেশে এয়ারলাইন্স ও ট্যুর অপারেটররা তাদের সেবা দর্শকদের সামনে তুলে ধরেন।

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সহযোগিতায় এবং এভিয়েশন আ্যন্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ-এটিজেএফবি’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় ৩ দিনব্যাপী ট্যুরিজম ফেস্ট। উৎসবের টাইটেলস্পন্সর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, পাওয়ার্ড বাই ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। সহ-পৃষ্ঠপোষক নভোএয়ার, রংধনু গ্রুপ, রিজেন্ট এয়ারওয়েজ ও দ্য ওয়েঢাকা।

এছাড়া ফেস্টিভ্যালে ফুড পার্টনার ওয়েল ফুড। ট্যুরিজম ফেস্ট ২০১৮-এ সহযোগী পার্টনার বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন, টোয়াব ও আটাব।

Bootstrap Image Preview