Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২০ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বার ২০১৮ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

৬ মাস পর ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে যুবকের লাশ উত্তোলন

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৪:৫৩ PM আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৪:৫৩ PM

bdmorning Image Preview


কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

মুরাদনগরে মৃত্যুর ৬ মাস পর ময়নাতদন্তের জন্য রেজাউনুল বারী চঞ্চল নামে এক যুবকের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) জেলার মুরাদনগর উপজেলার চাপিতলা গ্রাম থেকে ওই লাশ উত্তোলন করে পিবিআই। চঞ্চল (৩৫) চাপিতলা গ্রামের প্রয়াত কৃষি কর্মকর্তা আবু তাহের ভূইয়ার ছেলে।

লাশ উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন, মুরাদনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রায়হান মেহবুব, ইউপি চেয়ারম্যান কাইয়ুম ভূইয়া, সাবেক চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোকজন।

অভিযোগে জানা যায়, বাবা মারা যাওয়ার পর রেজাউনুল বারী চঞ্চল গ্রামে দাদা এবং পৈতৃক বিপুল পরিমাণ জায়গা-জমির খোঁজ খবর নিতে এসে দেখেন নানা কৌশলে ভূয়া কাগজপত্র সৃজন করে চাচা আব্দুছ ছালাম ভূইয়া অধিকাংশ জমি বেদখল করে নিয়েছেন। পরে সে ব্যাপক ঘুরাঘুরি করে পৈতৃক এসব জায়গা জমির কাগজপত্র সংগ্রহ করেন।

এ নিয়ে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি পারিবারিক ও জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে চাচা এবং চাচাতো ভাইয়েরা চঞ্চলকে ব্যাপক মারধর করে। এতে সে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিন্তু এসব ঘটনা চঞ্চল তার মা এবং ভাই অবহিত করেনি।

১৯ ফেব্রুয়ারি সকালে সে মারা যাওয়ার পর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে সে মারা গেছে বলে অপপ্রচার চালানো হয়। দীর্ঘ ৫ মাস পর এ নিয়ে এলাকায় জানাজানি হলে চঞ্চলের মা মনোয়ারা তাহের ভূইয়া বাদী হয়ে গত ২২ জুলাই কুমিল্লার আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন। পরে ১ আগস্ট মামলাটি বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করেন এবং মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত শুরু করেন।

চঞ্চলের মামা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ বলেন, জায়গা-জমি বেদখল করতেই চঞ্চলকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে হামলা করা হয়েছে। তিনি বলেন, আসামিরা এলাকায় প্রকাশ্য ঘোরাফেরা করলেও পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করছেনা।

Bootstrap Image Preview