Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২০ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বার ২০১৮ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

অনুরোধের নির্বাচন করতে গিয়ে আস্থার সংকটে নির্বাচন কমিশন

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭ মে ২০১৮, ০৩:১০ PM আপডেট: ০৭ মে ২০১৮, ০৩:১০ PM

bdmorning Image Preview


আসন্ন গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করেছিল। নির্বাচনী এলাকাগুলোতে সৃষ্টি হয়েছিল উৎসবের আমেজ। কিন্তু সেই উৎসব এখন শঙ্কায় পরিণত হয়েছে। গত ৬মে রবিবার হাইকোর্টের আদেশে আসন্ন গাজীপুর নির্বাচন স্থগিতআদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনার মাহাবুব তালুকদার তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের অনুরোধে তারা এই নির্বাচন আয়োজন করে থাকেন। তাদের মূল দায়িত্ব রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও জাতীয় নির্বাচন। তবে হাইকোর্টের রায় এর বাইরে তারা যাবেন না , তাই সকল নির্বাচনী কর্মকাণ্ড বন্ধ করার ঘোষণা প্রদান করেন। তবে আসল ব্যাপার হচ্ছে অনুরোধের নির্বাচন করতে গিয়ে আস্থার সংকটে নির্বাচন কমিশন।

এর আগে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর নির্বাচনও হাইকোর্টের আদেশে বন্ধ হয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এ নিয়ে অনেকে লিখছে ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন এর পর গাজীপুর, এর পর কি জাতীয় নির্বাচন বন্ধ হয়ে যাবে হাইকোর্ট এর আদেশে। এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কেউ নেই। এ ছাড়াও গাজীপুর এ অবস্থা হওয়ার পর খুলনার মানুষের মনে ছড়িয়েছে শঙ্কা। তাহলে খুলনা নির্বাচন বন্ধ হয়ে যাবে এই বিশ্বাস কিভাবে ফিরিয়ে আনবে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠান।

এ দিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়মী লীগ দাবি করেছেন জাতীয় নির্বাচনের আগে সিটি নির্বাচনগুলো হবে মডেল নির্বাচন। তবে মডেল নির্বাচনের যদি হয় এই হাল!

যাইহোক এইবার আসা যাক ভিন্ন প্রসঙ্গে, যারা এত পরিশ্রম এর অর্থ খরচ করে নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছে তাদের এই দায়ভার কে নিবে? রাষ্ট্র, নির্বাচন কমিশন না হাইকোর্ট। পূর্বে ঢাকা উত্তর সিটি এরপর গাজীপুর! এখন প্রশ্ন উঠেছে নির্বাচন কমিশন এর দক্ষতা নিয়ে তারা কি জানেনা যে এই রকম আইনি জটিলতা থাকার পরও তারা কিভাবে তফসিল ঘোষণা করে। তাহলে কি তাদের গাফলতি ছিল। দেশের সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি যদি এই বিষয়গুলো নিয়ে পর্যাপ্ত কাজ না করেই তফসিল ঘোষণা করে তাহলে তাদের প্রতি আস্থা হারায় সাধারন জনতা। তারপর ভবিষ্যৎ শঙ্কায় পতিত হয়। তবে, কুমিল্লা, রংপুর নির্বাচন পরিচালনা করে তারা যে আস্থা কুড়িয়েছে তা সংকটে পড়েছে। আর এই সংকট উত্তরণের জন্য কাজ করতে হবে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানকে। সর্বোপরি বলা যায় দেশের জনগণের কাছে যে আস্থা সংকট তা ফিরিয়ে এনে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজোন করবে ইসির কাছে এই প্রত্যাশা।

গণমাধ্যম কর্মী

খাইরুল বাশার

Bootstrap Image Preview