Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৫ সোমবার, অক্টোবার ২০১৮ | ৩০ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

আমরা সাধারণ জনগণ হাঁপিয়ে উঠেছি

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯ মার্চ ২০১৮, ০৬:২৯ PM
আপডেট: ০৯ মার্চ ২০১৮, ০৬:৩০ PM

bdmorning Image Preview


মো. মাহফুজুর রহমান নাঈম-

পতন সেতো ফেরাউনেরও হয়েছিলো। শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র। না, কোন রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীকে সমর্থনে বলছি না। আজ যে রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় আসুক, অন্যদের প্রতি এমন নোংরা আচরণ করা হয়। এককভাবে দাপটে শাসন করা হয়। ক্ষমতায় থাকাকালীন সবাই দুধ ভাত, আর ক্ষমতার বাইরে গেলেই ফেঁসে যাও হাজারো সত্য আর মিথ্যা সাজানো মামলায়।

হয়তো বলবেন ওরাও আমাদের সাথে এমন করেছিল। তাহলে উপমা স্বরূপ একটা কথা বলছি "কুকুরকে কাঁমড়ে দেবার অভ্যাস এবার ছাড়েন, অনেক হয়েছে। আমরা সাধারণ জনগণ হাঁপিয়ে উঠেছি।"

কিছু একটা আবল তাবল বলে দিয়ে বলবেন জনগণ আপনাদের (বিরোধীদল) চায় না। আরে ভাই, জনগণ কি চায় বা না চায় তা আপনারা কোনদিন জানতে চেয়েছেন? মুখে যা আসবে বলে যাবেন, মতামত বা সমালোচনা করতে আসলে অনেকেরই হয়েছে তার জীবনের শেষ মতামত। কেন এমন কেন? ভোট কেন্দ্রে গিয়ে দেখি ইতিমধ্যে আমার ভোট দেওয়া হয়েছে অনেক আগেই। তখন হয়তো আমি নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছিলাম। যে ছেলেটা সারাজীবন প্রশ্নফাঁস আর নানা রকম অন্যায় করে গেছে আজ সে আপনাদের কৃপায় সরকারি উচ্চপদস্থ কর্তা।

শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে মন্ত্রিসভার একেকজন বলবেন একেক কথা। সন্দেহ জাগে মনে আপনাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে স্বভাবতই। কথায় কথায় বলবেন অমুক দলের নেত্রীতো ম্যাট্রিক ফেল। আরে ভাই আপনারা তো ম্যাট্রিক পাস, আপনারা কেন এমন হযবরল সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন আর জনগণের সিদ্ধান্ত বলে চালিয়ে দিচ্ছেন?

আজ সকাল বিকাল আমার মা, বোন, কন্যা আর স্ত্রী জনপ্রকাশ্যে হেনস্থ হচ্ছে। অধিকাংশ সময়ে তথাকথিত রাজনৈতিক দলের কর্মীদের হাতে, কিন্তু কেন? কেউ কি নেই কিছু বলার? ছিল, অনেক কিছুই বলার ছিল, করারও ছিল যদি আমার মত আপনাদের কন্যা আর স্ত্রীরা সাধারণ গণপরিবহনে চলাচল করতো। আপনাদেরতো এ্যাম্বুলেন্স থামিয়ে পার হবার রেকর্ড আছে, তারপর আর কিছুই বলার থাকে না আমাদের আমজনতার। সত্যিই আমাদের কিছু বলার থাকে না।

হতেই পারে এটা আমার শেষ স্ট্যাটাস, আমি অবাক হবার সুযোগ না পেলেও এই জাতির কাছে, নিরীহ মানুষের কাছে বলছি "তোমরা আমার নিখোঁজ সংবাদে অবাক হয়ো না। আমি হারিয়ে যায়নি, আছি তোমাদের মাঝেই, মেহনতি মানুষের ঘামে আর ধর্ষিত মেয়ের বাবার নির্বাক কান্নায়। মেহনতি মানুষের জয় হোক। ধর্ষণের বিচার নয়, প্রতিকার চায়।

বি. দ্র. লেখাটি লেখকের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

লেখক: সংগঠক; নো ভ্যাট অন এডুকেশন

Bootstrap Image Preview