‘১৭ স্বজনের লাশ কাঁধে নিয়ে ১৭ কোটি মানুষের সেবা করছেন প্রধানমন্ত্রী’

প্রকাশঃ আগস্ট ৯, ২০১৮

ছবি: সংগৃহীত

আকরাম হোসেন।।

১৫ আগস্ট জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের ১৭ জনকে হত্যার কথা উল্লেখ করে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৭ স্বজনের লাশ কাঁধে করে ১৭ কোটি মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। তিনি পৃথিবীর সব থেকে সম্মানজনক স্থানে আমাদের নিয়ে যাবেন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শাহাদৎবাষির্কী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় সভাপতিত্বের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ আলোচনা সভা আয়োজন করেন ‘মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক কমান্ড’।

আলোচনা সভার প্রধান অথিতির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু জাতির পিতাকে যথাযথ শ্রদ্ধা জানানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিলো মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি। মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তিতে যে শাসন ব্যবস্থা শুরু হয়েছিলো বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে মুসতাক, জিয়া তা পুরোপুরি উল্টা পথে পরিচালনা করেছিলো। তারা পাকিস্তানের পথে দেশ পরিচালনা করেছিলো।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মিথ্যা আর গুজব ছাড়ানোর কারখানা হলো পাকিস্তান, বিএনপি, জামাত ও জঙ্গী। তারা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মিথ্যাচার এবং গুজব ছড়িয়েছিলো। বলেছিলো শেখ মুজিব ইসলাম বিশ্বাস করে না, সে ভারতের এজেন্ড, আমাদেরকে ভারতের অঙ্গরাজ্য বানাতে চাই। তাদের মিথ্যাচার, গুজব ব্যর্থ হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় ঠেকাতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুকেও খাটো করতে পারেনি।’

সম্প্রতি নিরাপত সড়ক চাই আন্দোলনের ইঙ্গিত করে হাসানুল হক ইনু বলেন, ছাত্র আন্দোলনের কাঁধে চড়ে বিএনপি ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চেয়েছিল। তারাই ঘোলা পানিতে ডুবে মরবে।  গুজব ও মিথ্যাচারকারীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের অগ্রগতি থামাতে পারবে না।

সাংবাদিকদের ভুমিকার কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় গুজব রটানো আর মিথ্যাচারকে গণমাধ্যমের কর্মীরা মোকাবেলা করেছেন। তারা বলেছেন,  কোনো ছাত্র মারা যায়নি, নারী লাঞ্ছিত হয়নি, কোমলমতি শিশুদের ওপর সরকার আক্রমণ করেনি। শিশুদের আন্দোলনের কাঁধে চড়ে চক্রান্তকারীরা এটাকে অন্য খাতে প্রবাহিত করার জন্য যেখানেই দাঙ্গা-হাঙ্গামা করার চেষ্টা করেছে সেখানেই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে।

সুতরাং আপনারা গণমাধ্যমের কর্মীরা মিথ্যাচার, গুজব রটানোর বিরুদ্ধে শক্তভাবে দাঁড়িয়েছেন, গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন বলেই আমরা সামনের দিকে যেতে পারছি।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক শামসুদ্দিন আহমেদ পেয়ারা, আজিজুল ইসলাম ভূইয়া, শাহজাহান মিয়া, মৃনাল কৃষ্ণ রায়, তরুণ তপন চক্রবর্তী প্রমুখ।

কমেন্টস