মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে প্রাণহানির ঘটনার সূত্রপাত যেভাবে (ভিডিও)

প্রকাশঃ ডিসেম্বর ১৮, ২০১৭

ছবিতে র্দুঘটনাস্থল।

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের পরিবারকে দুই লাখ করে টাকা দেয়া হবে। সোমবার প্রশাসন এক লাখ করে এবং মহিউদ্দিন চৌধুরীর পরিবারের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়।

প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর পরিবারের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুতে চট্টগ্রামের ১৪টি কমিউনিটি সেন্টারে কুলখানি ও মেজবানের আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে রীমা কমিউনিটি সেন্টারে হিন্দু-বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীসহ অমুসলিমের জন্য মেজবানের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে দুপুর ১টার পর প্রচণ্ড ভিড় তৈরি হয়। একপর্যায়ে হুড়োহুড়ি কেন্দ্র করে পদদলিত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নগরীর মুসাফিরখানা মসজিদে রোববার আসরের পর দোয়া এবং মঙ্গলবার পর্যন্ত তিন দিন নগরীর প্রতি ওয়ার্ডে আলোচনাসভা ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। অন্যদিকে সোমবার মহিউদ্দিন চৌধুরীর পরিবারের পক্ষ থেকে এক লাখেরও বেশি মানুষের জন্য কুলখানি ও মেজবানের আয়োজন করা হয়।

এর মধ্যে জামালখান এসএস খালেদ রোডে অবস্থিত রীমা কমিউনিটি সেন্টারে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানসহ যারা গরু মাংস খান না তাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। দুপুর ১২টা থেকে ওই কমিউনিটি সেন্টারে মানুষকে খাওয়ানো শুরু হয়। কমিউনিটি সেন্টারের পশ্চিম গেট দিয়ে প্রবেশ ও পূর্ব গেট দিয়ে বের হওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। ৭-৮ হাজার লোকের খাবারের আয়োজন করা হলেও সেখানে ১০-১৫ হাজার লোক অবস্থান করে। গেট খুলে দেয়া হলে সবাই হুড়াহুড়ি করে ঢোকার চেষ্টা করে। তাছাড়া প্রবেশ পথটি ছিল ঢালু। এ কারণে ধাক্কাধাক্কির মধ্যে অনেকেই পড়ে গিয়ে পদদলিত হন।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল হক জানান, আহত ২০-২৫ জনকে চমেক হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে চিকিৎসক ১০ জনকে মৃত ঘোষণা করেন। আরও ৩-৪ জন আশঙ্কাজনক বলেও চিকিৎসকদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান তিনি।

দুর্ঘটনার একটি ভিডিও নিজের পেজবুকে পোস্ট করেন  বাংলাদেশ পুলিশের এক সদস্য।

তার পোস্ট করা ভিডিও:

Posted by Sher Ali on Monday, December 18, 2017

 

কমেন্টস