মাছে ভাতে বাঙালি
বাঙালির ভাতের পাতে বিদেশি মাছ ! ‘বিলুপ্তির পথে ৫০ প্রজাতি ‘

প্রকাশঃ জুলাই ২৪, ২০১৭

Advertisement

এ এস এম সুজা উদ্দিন।। 

মানুষের প্রতিদিন আহারে ভাতের পাশাপাশি মাছের গুরুত্ব বোঝা সাধারণ জ্ঞানের সামিল। নদীমাতৃক দেশে মাছের প্রজনন এবং মাছের উৎপাদন  অন্যন্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি হওয়ার কথা কিন্তু বাস্তবে নানা অজুহাতে প্রতিবছর হাজার হাজার মেট্রিক টন  মাছের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে নষ্ট করছে কিছু অসাধু ব্যক্তি এবং তাঁদের অসৎ প্রক্রিয়া।  সারা দেশের  বছরে মাছ উৎপাদন হয় ৩৫ লক্ষ্য  ৪৮ হাজার ১১৫ মেট্রিক টন যার বেশির ভাগই আসে চাষহীন নদী ও সমুদ্র থেকে। গত অর্থবছরে ৭৭ হাজার ৩২৮ মেট্রিকটন মাছ রপ্তানি করে  যার বাজার মূল্য ৪৮ হাজার  ৯২২ কোটি টাকা, যা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ২.০১ শতাংশ পূরণ করে। ২০১৩ – ২০১৪ অর্থ বছরে জিডিপির ৩.৬৯ শতাংশ পূরণ করেছে।

বাংলাদেশে মাছ চাষের ইতিহাস নতুন নয় কিংবা শংকর প্রক্রিয়ায়ও নয় বেশির ভাগই প্রাকৃতিক। ইতিহাস বলে এই উপমহাদেশে ৩৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে পুকুর ও হ্রদের মতো বদ্ধজলাশয়ে মাছচাষ চলছে। অবিভক্ত বাংলার মৎস্যবিভাগের পরিচালক সুন্দর লাল হোরা পুকুরে মৎস্যচাষের (১৯৩২-১৯৪৭) প্রথম সফল উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ১৯৬৭ সালে পিটুইটারি গ্রন্থির নির্যাসের সাহায্যে কার্প মাছে কৃত্রিম প্রজনন শুরুর পর এদেশে মৎস্যচাষ ও মৎস্যসম্পদ উন্নয়নের গতি বৃদ্ধি পায়। এক সময় বড় জাতের কার্প চাষই ছিল প্রধান লক্ষ্য, কিন্তু বর্তমানে  এটি পরিবর্তন হয়ে পুকুরে ও হ্রদে বহু বিদেশী মাছেরও চাষ চলছে।

বাংলাদেশের মাছ উৎপাদন তথা চাষাবাদে জলজ বাস্তুসংস্থান  একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে দাড়ায়। বাংলাদেশে দেশীয়  প্রজাতির মাছ ছাড়াও ১২ টি বিদেশি প্রজাতির মাছ চাষাবাদ করা হয় এবং সামুদ্রিক মাছের ক্ষেত্রে কিছু কিছু প্রজাতির মাছকে মৌসুমে দেখা যায় । পরিবেশের ভারসাম্যহীনতায়  দিন দিন নদী মরে যাওয়ার ঘটনার সাথে  দেশের মাছ চাষের প্রবণতাও দিন দিন কমে যাচ্ছে। একটি  সমীক্ষায় দেখা যায় গত কয়েক বছরে দেশের ১৭ টা নদী হারিয়ে গেছে দেশের মানচিত্র থেকে। আরো প্রায় ১০টি হারিয়ে যাওয়ার পথে। মাছ চাষের উৎস খাত বলতে এখন রয়েছে স্থায়ী ও মৌসুমী পুকুর ২ লাখ ৪১ হাজার ৫০০ হেক্টর, বাওড় ৫৪৮৮ হেক্টর, বিল (আধা চাষযোগ্য বদ্ধ বিলসহ) ১ লাখ ১৪ হাজার ১৬১ হেক্টর। যেখানে শুধু মাত্র চিংড়ি খামার আছে ২ লাখ ৭৫ হাজার ২৭৪ হেক্টর জমি কিন্তু ৬ হাজার ৭৭৫ হেক্টর শুধু পেন কালচার হওয়ায়  দক্ষ মাছ চাষিদের সংখ্যা অনুমান করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

একসময়  মাছ বলতে দেশীয় মাছকে মানুষ তাদের প্রধান আহার হিসেবে বুঝত কিন্তু বর্তমানে বিদেশি মাছের প্রায় ২৬০ প্রজাতির দেশীয় মিঠা পানির মাছ থাকলেও এর মধ্যে মাত্র ৫০ প্রজাতির মাছ সচরাচর দেখা যায় না। এ ছাড়া ১৪ প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আরো ১৪-১৫ প্রজাতির মাছ হুমকির মুখে রয়েছে। বিলুপ্তপ্রায় এসব মাছের মধ্যে রয়েছে মলা, কয়েক প্রজাতির দাড়াকিনা, নাপিত কৈ, গুতুম, বাঘা গুতুম, বালিগড়া, চাপিলা, গজার, পাবদা  বাঘা, রিটা, নান্দিনা, আইড়, মহাসুল ইত্যাদি। বর্তমানে বিপন্ন হওয়ার পথে এসব মাছ এখন আর উপজেলার হাট-বাজারে তেমন একটা দেখা যায় না।   এছাড়াও মলা, কয়েক প্রকার দাড়কীনা, নাপিত, কই, গুটুম, বাঘা গুটুম, চাপিলা, পাপদা, রিটা, নানদিলা, আইড়, ষোল, গজার, বোয়াল, শেরপুটি, বাছা, চান্দা,  গোলসা, ঘনিয়া, দাড়কিনা, আইড়, পাবদা, বড় বাইম, তিতপুঁটি, নামা চান্দা, কালবাউস, গজার, তারা বাইম ইত্যাদি। বিপন্ন হওয়ার তালিকা ভারী হলেও সেই মাছ রক্ষায় নতুন কোন উদ্যোগ নেই।

বাংলাদেশ হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিকারক সমিতির কর্মকর্তারা মাধ্যমে জানা যায় , বাংলাদেশ থেকে চিংড়ির বাইরে ৬০ শতাংশ মিঠা পানি এবং ৪০ শতাংশ সামুদ্রিক মাছ রপ্তানি হয়ে থাকে। মিঠা পানির মাছের মধ্যে রয়েছে কাচকি, মলা, ঢেলা, পুঁটি, খলসে, টাকি, গুতুম, বাইন, পাবদা, শৈল, বোয়াল, আইড়, চিতল ইত্যাদি। অন্যদিকে সামুদ্রিক মাছের মধ্যে রয়েছে চিংড়ি, ইলিশ, রূপচাঁন্দা, মায়া, পাতা, কামিলা, লালপোয়া, সাদাপোয়া, ছুরি, চৈখ্যা, স্কুইড, দাতিনা কোরাল ইত্যাদি। এ ছাড়া অপ্রচলিত ও উচ্ছিষ্ট সামুদ্রিক মাছের মধ্যে রয়েছে টাং ফিশ, ছবি মাছ, রানি মাছ, ক্যাটল ফিশসহ নানা জাতীয় মাছ রপ্তানি হয়ে থাকে।

চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি খাতে আয় হয়েছে ৩৫ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার ইউএস ডলার বা দুই হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু ফেব্রুয়ারি মাসেই এ খাতে আয় হয়েছে দুই কোটি ৮৮ লাখ ডলার বা ২২৮ কোটি টাকা। এ ছাড়া শুধু চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩০ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার ডলার বা দুই হাজার ৪২১ কোটি টাকা, যা এ সময়ের হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪১ শতাংশ।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ কোটি ১০ লাখ ডলার।চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে মাছ  রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৫ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এর বিপরীতে এ সময়ে আয় হয়েছে ৩৫ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১.৭৫ শতাংশ বেশি। তবে গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি মেয়াদের তুলনায় এবার এ খাতের বৈদেশিক মুদ্রার আয় ৩.৮৯ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৩৭ কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

বাংলাদেশে রপ্তানি মাছ বলতে এখন চিংড়িকে ধরা হয় , চিংড়ি রপ্তানিকারকরা জানান, বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া হিমায়িত মাছের ৪৮ শতাংশ যায় ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত চারটি দেশে। দেশগুলো হলো জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য ও বেলজিয়াম। এর মধ্যে ১৭ শতাংশ রপ্তানি হয় বেলজিয়ামে। যুক্তরাজ্যে যায় ১৩ শতাংশ, নেদারল্যান্ডসে ১০ শতাংশ এবং জার্মানিতে যায় আরো ৮ শতাংশ। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের মধ্যে বেলজিয়াম বাংলাদেশি হিমায়িত মাছ আমদানির প্রধান ক্রেতা। এদিকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি মেয়াদে কাঁকড়া রপ্তানিতে আয় হয়েছে এক কোটি ১৬ লাখ ১০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে কাঁকড়া রপ্তানিতে আয় হয়েছিল এক কোটি ৫৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

বিশ্ব দরবারে  মাছ নিয়ে গবেষণা হয় অনেক আগে থেকেই । তারা মাছ রক্ষার জন্য  গত ৬ এপ্রিল জার্মানি পালন করলো ‘ফিস ডিপেন্ডেন্স ডে’, অর্থাৎ ‘মাছনির্ভরতা দিবস ‘ পালন করে ‘৷ ইইউ অঞ্চলের সবগুলো দেশেই দিবসটি পালিত হয়৷ যেমন ইটালিতে পালিত হয়েছে ১৪ এপ্রিল, পর্তুগালে হবে আগামী পহেলা মে৷ দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো, মাছ ধরা এবং আমদানির বিষয়ে সবাইকে একটা নির্দিষ্ট নিয়মে বাঁধা৷

বিদেশী  পরিসংখ্যানে মাছের গুরুত্ব দেখে মনে হয় তারাই নদীমাতৃক দেশ । মাছের তালিকা প্রকাশ এবং মাছ ধরায় নিয়ন্ত্রণ আরোপের নিয়ম করে কাজের কাজ খুব বেশি হচ্ছে না৷ উন্নয়নশীল কিছু দেশে আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা মেটাতে গিয়ে মাছ ধরা বেড়েই চলেছে । আফ্রিকার দেশ নামিবিয়ার প্রায় ৯০ ভাগ মাছই রপ্তানি হয় ইউরোপে৷ মাত্রাতিরিক্ত মাছ ধরার কারণে গিনি, বেলিজে এবং কম্বোডিয়াকে কালো তালিকভুক্ত করা হয়েছে৷ এই তিনটি দেশ থেকে তাই ইইউ অঞ্চলের সব দেশে মাছ আমদানি আপাতত বন্ধ৷

মাছ খাদকদের মাছের  পরিসংখ্যান  দেখে হয়তো তারা খেতে বসে না তাই হয়তো হিসাবও রাখে  সারাবিশ্বে  কি পরিমান  মাছ আছে। পরিসংখ্যান বলছে , পৃথিবীতে প্রায় ৪৫০ গোত্রে ২৯,০০০ প্রজাতির মতো মাছ রয়েছে, যাদের প্রায় ৪০% স্বাদুপানির বাসিন্দা। বাংলাদেশে ১৮ বর্গে ১২৩ গোত্রে ৪০২ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ আছে। এই ৪০২ প্রজাতির মধ্যে ৩ বর্গে ১৫ গোত্রে ৫৬ কোমলাস্থিময় মাছ (শ্রেণী Chondricthyes) এবং ১৫ বর্গে ১০৮ গোত্রে ৩৮৬ প্রজাতির অস্থিময় মাছ (শ্রেণী Osteichthyes) রয়েছে। প্রায় ১৪ বর্গে ৬১ গোত্রে ২৫১ প্রজাতির অন্তর্দেশীয় (inland) মাছ (স্বাদুপানি ও লোনাপানির) আছে। অন্তর্দেশীয় মাছের মধ্যে সর্বাধিক রয়েছে Cyprinidae গোত্রের (বর্গ Cypriniformes) অন্তর্গত; ২৫ গণভুক্ত ৬১ প্রজাতির মধ্যে রয়েছে কার্প রুই, কাতলা, মৃগেল, কালবাউশ ইত্যাদি; বার্ব পুঁটি, মহাশোল ইত্যাদি এবং মিনো দারকিনা, চেলা, মলা ইত্যাদি। বাংলাদেশের স্বাদুপানিতে ৫৪ প্রজাতির ক্যাটফিশ টেংরা, আইড়, শিঙি, মাগুর ইত্যাদি পাওয়া যায়। লোচ- রানি, গুতুম, পোয়া ইত্যাদি সম্পর্কে গবেষণা হয়েছে কম (প্রজাতির সংখ্যা প্রায় ১২)। এক সময়ে জলাভূমিতে বিপুল সংখ্যক শোল, টাকি, গজার ইত্যাদি ছিল, বর্তমানে কম দেখা যায়। চান্দিয়া গোত্রের ৫ প্রজাতির মধ্যে ৩ প্রজাতিই বিপন্ন: পিপলা বা তিলাশোল (Barca snakehead, Channa barca) অতি বিপন্ন, গজার (Giant snakehead, Channa marulius) বিপন্ন এবং তেলোটাকি (Asiatic snakehead, Channa orientalis) বিপন্নপ্রায়। সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে পিপলা আছে, কখনও কখনও সর্ষেফুল ক্ষেতে যায় এবং খরায় কাদার নিচে ঢোকে, ডিম ও পোনা পিতৃমাতৃ স্নেহে লালন করে।

বাংলাদেশে ৭৬ প্রজাতির মাছকে প্রায়শ স্বাদুপানি ও সামুদ্রিক মাছের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এগুলির মধ্যে সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অতি-গুরুত্বপূর্ণ মাছ ইলিশ (Hilsa, Tenualosa ilisha) হলো anadromous, অর্থাৎ ডিম ছাড়ার জন্য সমুদ্র থেকে নদীতে আসে। অপরিণত ইলিশের স্থানীয় নাম জাটকা। নদীতে ফেব্রুয়ারি-মে মাসের মধ্যে জাটকা ধরা পড়ে। বড় নদীগুলি থেকে এই একটিমাত্র মাছই সর্বাধিক সংগৃহীত হয়। পুকুরে মৎস্যচাষে কার্পের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশে সবচেয়ে পছন্দের মাছ হলো Anabantidae গোত্র ও Perciformes বর্গের কই (Climbing perch, Anabas testudineus)। অধিকাংশ Perciformes সামুদ্রিক হলেও বেশিরভাগ মাছই মোহনা ও নদীতে প্রবেশ করে, যেমন টাক-চামা (Pony fish), পোয়া (Jew fish), তপসী (Thread-fin), বাটা (Mullet), রূপচান্দা (Pomfret) ইত্যাদি।

বিশ শতকের গোড়ার দিকে এদেশে প্রায় ১৫০ প্রজাতির বিদেশী মাছ আনা হয়। সেগুলির অধিকাংশই বাহারি বা অ্যাকোয়ারিয়ামের মাছ। এদের মধ্যে ১৩ প্রজাতি স্বাদুপানি ও স্বল্প-লোনাপানিতে চাষযোগ্য মাছ। বিশ শতকের ত্রিশ ও চল্লিশের দশকে মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য লার্ভাভুক Gambusia মাছ আমদানি করা হয়। বাণিজ্যিক মৎস্যচাষে সিলভার কার্প, গ্রাস কার্প, বড়মাথা কার্প, সাধারণ কার্প, তেলাপিয়া, ক্যাটফিশ, থাইপাঙ্গাশ, থাই সরপুঁটি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।

মাছ সপ্তাহ উপলক্ষে বিডিমর্নিং বিশেষ প্রতিবেদনে সারা দেশের মাছ চাষের হাল চাল দেখা যায় । দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাঠানো প্রতিনিধির তথ্য থেকে জানা যায় প্রতিনিয়ত বিলুপ্ত হওয়া মাছের প্রজাতি। কর্তা ব্যক্তিদের সুনজরে হয়তো রক্ষা পাবে দেশের দেশীয় মাছের প্রজনন এবং সাম্য অবস্থায় ফিরে পাবে জলজ বাস্তুসংস্থান।

Advertisement

Advertisement

কমেন্টস