কাতারে সামরিক হামলা চালাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে সৌদি আরব !

প্রকাশঃ জুন ৭, ২০১৭

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

কাতারে সামরিক আগ্রাসন চালানোর পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুত নিচ্ছে সৌদি আরব। আর এই জন্যই কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে সৌদি সরকার। আমেরিকার একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রধান রাশিয়ার বার্তা সংস্থা স্পুৎনিককে এ কথা বলেছেন।

ওয়াশিংটনভিত্তিক ‘ইনস্টিটিউট ফর গাল্ফ অ্যাফেয়ার্স’র প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আলী আল-আহমেদ স্পুৎনিককে বলেন, কাতারের সমস্ত সম্পদ দখল করা হতে পারে সম্ভাব্য এ আগ্রাসনের একটি বড় কারণ। তিনি বলেন, “কাতারে সৌদি আগ্রাসনের বিষয়টি আমি ধারণা করছি। কাতার সীমান্তের কাছে সৌদি আরবের সেনাদের চলাচলের খবর পাচ্ছি এবং সৌদি সেনারা প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

আলী আহমেদ সতর্ক করে বলেন, কাতারে সৌদি আগ্রাসন খুবই দ্রুত হবে যা কেউ কল্পনাও করতে পারছে না। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনের সঙ্গে সৌদি রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তারা দু জনই কাতারে সৌদি আগ্রাসনকে সমর্থন করবেন। আলী আহমদ বলেন, “আমার কাছে যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য খবর রয়েছে যে, এরইমধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সৌদি আরবকে বলে দিয়েছেন- কাতারে সামরিক আগ্রাসনের বিষয়ে তার কোনো আপত্তি নেই।”

আলী আহমেদ আরো বলেন, সৌদি আরব যদি কাতারে আগ্রাসন চালায় তাহলে তাতে জোরালো সমর্থন দেবে মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন। এর মধ্যে বাহরাইনে রয়েছে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কাতারকে বিচ্ছিন্ন করার কৃতিত্ব তার। সন্ত্রাসে মদদ দেয়ার অভিযোগ তুলে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে সৌদি আরবসহ সাতটি মুসলিম দেশ। মঙ্গলবার টুইটে ট্রাম্প বলেন, তার সাম্প্রতিক সৌদি সফরকালে তাকে বলা হয়েছে যে কাতার উগ্র মতাদর্শের জন্য তহবিল জোগাচ্ছে। ট্রাম্প বলেন, তার সফরের ফল আসতে শুরু করেছে।

দুই সপ্তাহ আগে সৌদি সফরকালে ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করার জন্য ইরানকে দায়ী করেন এবং মুসলিম দেশগুলোকে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানান। মনে করা হচ্ছে, ট্রাম্পের সেই ঘোষণায় সাহসী হয়ে মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক সুপারপাওয়ার কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে আরব দেশগুলো।

টুইটে ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে আমার সাম্প্রতিক সফরকালে বলেছিলাম উগ্র মতাদর্শকে তহবিল জোগানো যাবে না। নেতারা তখন কাতাদের দিকে ইঙ্গিত করেন। বুঝুন। তবে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি বিবিসিকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্য সফরের সময় তার সরকার ট্রাম্পকে বলেছে যে, উগ্র ইসলাম প্রচারের সঙ্গে কাতারের জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ নেই।

অপরদিকে সৌদি অবরোধের মুখে পড়া কাতারের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে তুরস্ক। গতকাল মঙ্গলবার কাতারকে সমর্থন জানিয়ে দেশটির সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নেরও ঘোষণা দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান।

এরদোয়ান বলেন, ‘আমরা মনে করি কাতারের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপ ভালো কিছু নয়। ‘ তিনি বলেন, ‘তুরস্ক কাতারের সঙ্গে তার সম্পর্ক অব্যাহত রাখবে এবং সম্পর্ক আরো জোরদার করবে, যেমনটা আমরা আমাদের বন্ধুদের সঙ্গে করেছি যারা আমাদের কঠিন (ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের) সময়ে সমর্থন দিয়েছিল। ‘

কাতারের পক্ষ নিয়ে এরদোগান বলেন, উপসাগরীয় দেশটির ‘সন্ত্রাসবাদে’ সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি সত্য হলে আমি ব্যক্তিগতভাবে হস্তক্ষেপ করব। কাতারের সঙ্গে তুরস্কের উষ্ণ সম্পর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে সৌদির আরবসহ আরব উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গেও দেশটির ভালো সম্পর্ক রয়েছে।

এ সময় সৌদি আরবের সমালোচনা থেকে সতর্কভাবে বিরত থেকে উপসাগরীয় দেশগুলাকে নিজেদের মতপার্থক্য আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে সৌদি আরবের নেতৃত্বে ছয় আরব দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণায় বিপাকে পড়া কাতারের পাশে দাঁড়িয়েছেন কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল হামাদ আল জাবের আল সাবাহ।

সঙ্কট মোকাবেলায় কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি তার শরণাপন্ন হলে সৌদি আরবের সঙ্গে মধ্যস্থতা করার উদ্যোগ নেন কুয়েতের আমির।

গালফ আরব কর্মকর্তা এবং কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানির বরাতে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

জানা গেছে, কুয়েতের আমিরকে মধ্যস্থতা করার সুযোগ দিতে কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা নিয়ে মঙ্গলবার দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করেছেন কাতারের আমির।

সোমবার কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেয় সৌদি আরব, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ইয়েমেন এবং লিবিয়া।

কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আল জাজিরাকে বলেছেন, সোমবার রাতে কাতারের আমির টেলিফোনে কুয়েতের আমিরের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর তিনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেয়ার কর্মসূচি স্থগিত করেন।

এছাড়া দোহা প্রতিবেশীদের কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতার সিদ্ধান্তের নিন্দা না করারও সিদ্ধান্ত নেয় বলেও জানান কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

২০১৪ সালে আরব উপদ্বীপের রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিভক্তির ঘটনার সময় কুয়েতের আমির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আর কাতারের আমিরও তাকে পিতার মতো সম্মান করেন।

চলমান সঙ্কটের পুরো চিত্র স্পষ্ট না হওয়ার আগ পর্যন্ত কুয়েতের আমিরের ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে কোনো বক্তব্য দেয়া এবং পাল্টা পদক্ষেপ নেয়া থেকে কাতারের আমির বিরত থাকবেন বলে জানান দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কাতার মনে করে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমেই মতপার্থক্য ঘুচবে। এজন্য কাতার প্রতিবেশীদেরকে মতবিনিময় করারও প্রস্তাব দিয়েছে।

এদিকে কাতার ইস্যুতে দৃশ্যত কোনো অবস্থান ব্যক্ত না করলেও সমঝোতার মাধ্যমে এ সংকটের অবসান চায় বাংলাদেশ। উপসাগরীয় অঞ্চলে সন্ত্রাসে মদদ দেয়ার অভিযোগে সৌদি আরবের নেতৃত্বে সাতটি মুসলিম দেশ কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। এসব দেশসহ মধ্যপ্রাচ্য বাংলাদেশের জনশক্তির বড় বাজার। অপরদিকে, বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে অনেক বেশি কর্মী কাতারে যাচ্ছে। ফলে সংকটের অবসান হলে বাংলাদেশ লাভবান হবে। তাছাড়া মুসলিম উম্মাহর বিভাজন পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এসব কারণে বর্তমান সংকটের অবসান ঘটিয়ে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য চায় বাংলাদেশ।

কাতার ইস্যুতে সৃষ্ট পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিকভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ। সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ওই অঞ্চলের দেশগুলোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতরা পরিস্থিতির ওপর প্রতিবেদন ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাচ্ছেন। সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রায় ১৮ লাখ কর্মী কর্মরত। উপসাগরীয় অন্য দেশেও বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক কর্মী আছেন। অপরদিকে, কাতারে বাংলাদেশের কর্মী আছেন তিন লাখ ৮০ হাজার। প্রতি মাসেই ১০ থেকে ১২ হাজার বাংলাদেশি কর্মী কাতারে যাচ্ছেন। ২০২২ সালে কাতারে বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেও বাংলাদেশের কর্মীদের প্রয়োজন হবে। এছাড়া সম্প্রতি কাতারের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি চুক্তি হয়েছে যার অধীনে এক দশমিক আট বিলিয়ন ডলার বাংলাদেশ ব্যাংকে গচ্ছিত রাখবে কাতার। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাংলাদেশের জন্যে ক্ষতিকর। মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশ সৌদি আরব ও ইরান পরস্পরের বৈরী অবস্থানে থাকলেও উভয়ের সঙ্গেই বাংলাদেশের ভালো সম্পর্ক রয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের করণীয় সম্পর্কে জানতে চাইলে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেন মঙ্গলবার বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে কাতারের একটা টানাপোড়েন আছে- এটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু এটা সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর্যায়ে যাবে সেটা আমরা কল্পনাও করিনি। হঠাৎ করেই এটা হয়ে গেছে। তবে আমি এটা ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। এ সমস্যা স্থায়ীভাবে থাকবে না। ফলে সৌদি আরবের কথায় আমাদের কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা ঠিক হবে না।

তিনি আরও বলেন, কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেখানে বাংলাদেশের যে কর্মীরা আছেন তারা যাবেন কোথায়? কাতার ছোট দেশ হলেও বাংলাদেশের কর্মী সেখানে অনেক বেশি। এখন সম্পর্ক ছিন্ন করলে, পরে যদি সম্পর্ক ঠিক হয়েও যায়, কাতার সেটা ভুলবে না। ফলে আমাদের ক্ষতি হবে। তাই আমাদের এমনভাবে চলতে হবে যে, সৌদি আরব ও কাতার উভয়ের সঙ্গেই সম্পর্ক ঠিক থাকে। এ ক্ষেত্রে আমাদের কিছুটা দৃঢ় হতে হবে। আর দৃঢ় হলেই যে ক্ষতি হবে এটা ভাবার কোনো কারণ নেই।

জানতে চাইলে কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ মঙ্গলবার টেলিফোনে বলেন, আমরা পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। এখন পর্যন্ত কুয়েতের আমীরের সমঝোতার উদ্যোগ ছাড়া পরিস্থিতির বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমাদের এখন অপেক্ষা করে দেখা ছাড়া তেমন কিছু করার নেই। পরিস্থিতির প্রতি আমাদের নজর থাকবে।

এদিকে কাতারে কর্মরত বাংলাদেশিদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দোহার বাংলাদেশ দূতাবাস। মঙ্গলবার বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ পরামর্শ দিয়ে বলা হয়, কাতার ও উপসাগরীয় অন্য কয়েকটি দেশের মধ্যে উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ দূতাবাস। পরিস্থিতির পরিবর্তিত প্রেক্ষাপট পর্যবেক্ষণ ও যথাযথ বিশ্লেষণের মাধ্যমে দূতাবাস বাংলাদেশিদের করণীয় সম্পর্কে দিক নির্দেশনা দেবে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কাতার প্রবাসী বাংলাদেশিদের একক কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

সম্প্রতি কাতারের বার্তা সংস্থার ওয়েবসাইটে দেশটির আমীরের বরাত দিয়ে সৌদি আরব এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্পর্কে সমালোচনা করে দেয়া মন্তব্য দেখা যায়। সেখানে ইরান ও মুসলিম ব্রাদারহুডের পক্ষে বক্তব্যও দেখা যায়। এ নিয়ে সৌদি আরবসহ তাদের মিত্র দেশগুলোতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কাতার অবশ্য এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেছে, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে আমীরের এসব মন্তব্য জুড়ে দেয়া হয়েছে। কাতার এটাকে ভয়াবহ ‘সাইবার ক্রাইম’ হিসেবে অভিহিত করছে।

সৌদি আরবের সঙ্গে কাতারের সম্পর্কে কিছুটা আস্থার অভাব থাকলেও তাদের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার মতো বড় মতবিরোধ নেই। বরং সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসবিরোধী জোটে কাতার অন্যতম শরিক দেশ। তাছাড়া, কাতারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি রয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকার একজন ওয়াকিবহাল কূটনীতিক বলেন, কাতারের সঙ্গে সৌদি আরবের ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টিতে মিসরের ভূমিকা থাকতে পারে। কেননা মিসরের সঙ্গে কাতারের বিরোধ রয়েছে। মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মুসলিম ব্রাদারহুডের মোহাম্মদ মুরসির প্রতি কাতারের সহানুভূতি রয়েছে। তাছাড়া, কাতারের আলজাজিরার দু’জন সাংবাদিককে মিসরের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জেনারেল আবদুল ফাত্তাহ সিসির সরকার জেলে আটকে রাখা নিয়েও দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়।

সৃষ্ট সংকটের পর ইতিমধ্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন স্থল ও আকাশপথে কাতারের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। কাতার থেকে কূটনীতিক প্রত্যাহার ও কাতারের কূটনীতিকদের বিতাড়নের নির্দেশ দিয়েছে দেশগুলো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সৌদি সফরের ২ সপ্তাহের মাথায় এ সংকটের শুরু। রিয়াদে আরব-ইসলামিক সম্মেলনে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে বক্তব্য রেখেছিলেন।

কমেন্টস