4জি তে বিনিয়গের অনীহা অপারেটরগুলোর

প্রকাশঃ এপ্রিল ১৯, ২০১৭

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

থ্রিজির জন্য অপারেটররা প্রায় ত্রিশ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে বলে জানিয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব। কিন্তু সেই অর্থের বিনিময়ে তারা কেউই এখনও থ্রিজি থেকে লাভ ঘরে তুলতে পারেনি। সে কারণে সম্প্রতি টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমকে লেখা চিঠিতে নানাকথা বলার মাঝেও ফোরজির বিষয়ে তাদের খানিকটা অনীহা ধরা পড়েছে।

তারা বলছেন, এত বিনিয়োগ করেও যেখানে লাভ পাওয়া যাচ্ছে না সেখানে ফোরজির জন্য বাজার কতটা তৈরি আছে সেটিও দেখতে হবে।

অপারেটরগুলো বলছে, বাজারে এ মুহূর্তে খুব কম হ্যান্ডসেট আছে যেখানে ফোরজির সুবিধা রয়েছে। তা ছাড়া ন্যূনতম গ্রাহকপ্রতি আয়, উচ্চ মাত্রার ট্যাক্সও তাদের জন্য ফোরজিতে বিনিয়োগ করা বড় প্রতিবন্ধকতা।

সম্প্রতি ফোরজির জন্য বিটিআরসি একটি প্রস্তাবিত নীতিমালা সরকারের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে। যা ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে এখন বিবেচনার জন্য রয়েছে। সেখানে ফোরজি সেবার ক্ষেত্রে রাজস্ব ভাগাভাগির পরিমাণ বৃদ্ধি করে ১৫ শতাংশে উন্নীত করতে বলেছে বিটিআরসি।

বর্তমানে সব সেবার ক্ষেত্রে রাজস্ব ভাগাভাগি করা হয় সাড়ে পাঁচ শতাংশ। আরও এক শতাংশ অপারেটর দেয় সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলে।

এক লাফে রাজস্বের এত বড় ভাগ অপারেটররা ছাড়তে নারাজ। তারা বলছেন, তাদের মোট আয়ের ৪৭ শতাংশই সরকারের কোষাগারে চলে যায়। এটি আরও বাড়াতে বললে তাদের আর কিছুই থাকবে না।

এর আগে অ্যামটব মহাসচিব টিআইএম নূরুল কবীর টেকশহরডটকমকে বলেন, ‘আমরা পত্রপত্রিকার মাধ্যমে যেটা জেনেছি তাতে যে ধরনের নীতিমালা করা হচ্ছে সেখানে বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।’

ফোরজির স্পেকট্রামের জন্য এত ফি দিয়ে বিষয়টি সম্ভব হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এত ফি সম্ভব নয়, বিজনেস কেইস কোথায়? আমি থ্রিজি নিলাম এত টাকা দিয়ে, থ্রিজি ব্যবহার করার সুযোগ নিতে পারলাম না। বাংলাদেশে এখন ফোরজি হ্যান্ডসেট আছে ৩ থেকে ৪ শতাংশে। আমার ইকোসিস্টেম তো রেডি হতে হবে।

 

Advertisement

কমেন্টস