কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি ইংল্যান্ড

প্রকাশঃ অক্টোবর ৫, ২০১৬

আগের মতো আর নেই বাংলাদেশ। বদলে গিয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। সবাই এখন টাইগারদের দেখে ভয় পায়। টাইগারদের সাথে খেলতে হলে  ভেবে চিন্তে খেলতে হয়। এই কথা গুলো বললেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার তুষার ইমরান। আসন্ন ইংল্যান্ড সিরিজ নিয়ে কথা বললেন বিডিমর্নিয়ের সাথে। সাক্ষাতে ছিলেন অর্নব ইসলাম।

কেমন আছেন?

তুষার ইমরানঃ একটু ভার গলাই বললেন ভালো আছি। তবে খেলাধুলা ছাড়া কতোটা ভালো আছেন তিনিই ভালো বলতে পারবেন।

এবার একটু বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রসঙ্গে কথা বলি। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল সম্পর্কে কিছু বলুন।

তুষার ইমরানঃ সত্যি কথা বলতে কি বাংলাদেশকে নিয়ে বলার কিছুই নেই। তাদের খেলা আগের থেকে অনেক ভালো হয়েছে। দলের সবাই এখন ভালো খেলছে। সব মিলিয়ে একটা শক্তিশালী দল।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ কেমন খেলবে?

তুষার ইমরানঃ  একটা কঠিন লড়াই হবে। আর এই লড়াইয়ে আশাকরি বাংলাদেশি জিতবে। টাইগাররা এখন আর আগের মতো নেই। নিজেদের ক্ষমতা দেখাতে শুরু করেছে। তাই কোন ভাবেই বাংলাদেশকে দুর্বল ভাববে না ইংল্যান্ড।

ব্যাটিং-বোলিং কেমন নিয়ে খেললে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ ভালো করবে?

তুষার ইমরানঃ বাংলাদেশের এখন যেমন ব্যাটিং-বোলিং নিয়ে খেলে। আমি মনে করি এটাই ঠিক আছে। কোন পরিবর্তনের দরকার নেই।

তাহলে ব্যাটিংয়ের কথাই বলি। তামিমের সাথে সৌম্য কিন্তু এখন ভালো রানের জুটি করতে পারছেন না। আপনার কি মনে হয় এখানে কোন পরিবর্তন দরকার?

তুষার ইমরানঃ একে বারেই না। কারণ সৌম্য একজন ভালো মানের ক্রিকেটার কিছুদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাহিরে ছিলেন তাই এমনটা হচ্ছে। তবে সে আবার রানে ফিরবে।

তাহলে ইমরুল  কোথায় খেলবে? প্রস্তুতি ম্যাচে তো সে সেঞ্চুরি করেছে। আর সৌম্য তো দশের ঘর পেরোতে পারেননি।

তুষার ইমরানঃ ইমরুল যেহেতু ভালো করেছে। অবশ্যই সে একাদশে খেলার দাবিদার। কিন্তু সৌম্যকে বাদ দিয়ে নয়। সেটা সময় বুঝে। যখন যেমন দরকার হবে।

এমন কোন খেলোয়াড় আছে যাকে খেলানো হচ্ছে না।  আপনার কি মনে হয়?

তুষার ইমরানঃ না। আসলে দলের যা অবস্থা কাকে বাদ দিবে আর কাকে নিবে। তবে নাসিরকে সুযোগ দেওয়া উচিত।

ওয়ানডের পরেই টেস্ট সিরিজ। টেস্টে বাংলাদেশ দল কেমন হয়া উচিত?

তুষার ইমরানঃ আসলে টেস্টে খেলায় একটু স্পেশালিষ্ট  খেলোয়াড় লাগে। এখানে ফিফটি ফিফটি খেলোয়াড় না খেলানোই উচিত বলে আমার মনে হয়। বোলিং- ব্যাটিংয়ের কথা আগেই বলেছি। বাংলাদেশ এখন অনেক এগিয়ে। তবে টেস্টে আরও ভালো করতে হবে। সেই ক্ষেত্রে যাচাই বাছাই করেই খেলোয়ার নিতে হবে।

উল্লেখ্য,৭ অক্টোবর ওয়ানডে দিয়ে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে।

৯ অক্টোবর হবে দ্বিতীয় ওয়ানডে। দুটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে ফ্লাডলাইটের আলোয়।

১২ অক্টোবর শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।

ওয়ানডে শেষে ১৪ থেকে ১৭ অক্টোবর চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে দুই দিন করে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিরেজের প্রথম টেস্টে টাইগারদের মুখোমুখি হবে ইংলিশরা। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৮ অক্টোবর থেকে ০১ নভেম্বর মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে।

Advertisement

কমেন্টস